বীমা খাতকে টেকসই ও কার্যকর করতে হলে প্রথমে গ্রাহকের আস্থা পুনরুদ্ধার, দ্বিতীয়ত নিয়ন্ত্রক কাঠামো ও দীর্ঘমেয়াদি বিনিয়োগ ব্যবস্থা শক্তিশালী করা এবং তৃতীয়ত খাতের সক্ষমতা উন্নয়ন নিশ্চিত করা জরুরি।

নিজস্ব প্রতিবেদক: বীমা খাত সংস্কারের জন্য তিনটি মূল ভিত্তির ওপর জোর দিয়েছেন বীমা উন্নয়ন ও নিয়ন্ত্রণ কর্তৃপক্ষের (আইডিআরএ) চেয়ারম্যান মীর নাদিয়া নিভিন। তিনি বলেন, বীমা খাতকে টেকসই ও কার্যকর করতে হলে প্রথমে গ্রাহকের আস্থা পুনরুদ্ধার, দ্বিতীয়ত নিয়ন্ত্রক কাঠামো ও দীর্ঘমেয়াদি বিনিয়োগ ব্যবস্থা শক্তিশালী করা এবং তৃতীয়ত খাতের সক্ষমতা উন্নয়ন নিশ্চিত করা জরুরি।
বর্তমানে বীমা খাতে গ্রাহকদের অনিষ্পন্ন দাবি প্রায় ৭ হাজার কোটি টাকা রয়েছে। এর মধ্যে কিছু সমস্যা পুরো খাতের কাঠামোগত দুর্বলতার কারণে সৃষ্টি হয়েছে, আবার কিছু নির্দিষ্ট কোম্পানির অনিয়ম ও অদক্ষতার কারণে হয়েছে। এসব সমস্যা সমাধানে কাজ চলমান রয়েছে বলে তিনি উল্লেখ করেন।
শনিবার (২৭ জুন) রাজধানীর বিজয়নগরের হোটেল একাত্তরে অনুষ্ঠিত হয় ‘বাংলাদেশের আর্থসামাজিক উন্নয়নে বীমা খাতের ভবিষ্যৎ সম্ভাবনা ও চ্যালেঞ্জ’ শীর্ষক বাজেট-পরবর্তী সেমিনার। অনুষ্ঠানটি আয়োজন করে বীমা সাংবাদিকদের সংগঠন ইন্স্যুরেন্স রিপোর্টার্স ফোরাম (আইআরএফ)।
অনুষ্ঠানে আইডিআরএ চেয়ারম্যান আরও বলেন, অনেক বীমা কোম্পানির সম্পদ বিক্রিতে জটিলতা রয়েছে, যা দ্রুত সমাধান করা প্রয়োজন। একই সঙ্গে খাতের স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করতে ঝুঁকিভিত্তিক তদারকি ব্যবস্থা চালু করার ওপর তিনি গুরুত্ব দেন।
তিনি বলেন, বাংলাদেশ একটি দুর্যোগপ্রবণ দেশ হওয়ায় এখানে বীমা খাতের ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। তাই মাইক্রোইন্স্যুরেন্স চালু করা এবং সেবার চ্যানেল আরও বিস্তৃত করার প্রয়োজন রয়েছে।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন প্রধানমন্ত্রীর অর্থ ও পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. রাশেদ আল মাহমুদ তিতুমীর। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ ইন্স্যুরেন্স এসোসিয়েশনের (বিআইএ) সভাপতি সাঈদ আহমেদ এবং বাংলাদেশ ইন্স্যুরেন্স ফোরামের (বিআইএফ) সভাপতি বিএম ইউসুফ আলীসহ খাত সংশ্লিষ্ট অন্যান্য অতিথিরা।
আপনার একটি মন্তব্য লিখুন:
এখনো কোনো মন্তব্য করা হয়নি।