বাংলাদেশের বীমা শিল্পের বর্তমান অবস্থা: বিরাজমান সমস্যা ও সম্ভাব্য সমাধান- ৬ষ্ঠ অংশ

শেখ কবির হোসেন: এখন আমি অনুরোধ জানাচ্ছি বীমা উন্নয়ন ও নিয়ন্ত্রণ কর্তৃপক্ষের সদস্য, যিনি কিছু দিনের জন্য নিয়ন্ত্রণ কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যানের দায়িত্বে ছিলেন, অত্যন্ত অভিজ্ঞ অভিজ্ঞ এবং এই সেক্টরের একজন ওয়েল উইশার। তার কাছ থেকে আমি একটু জানতে চাই যে, এ সব সমস্যার সমাধান কি হবে...

গকুল চাঁদ দাস: আমি প্রথমেই ধন্যবাদ জানাই সবাইকে, আজকে যারা এখানে আমাকে আমন্ত্রণ জানিয়েছেন এবং আইডিআরএ কে আমন্ত্রণ জানিয়েছেন। এবং এই সময়ে, আমি বলবো যে, আসলই এ ধরণের সেমিনারে বসা আমার জন্য একটু ভয়ের বা ঝুঁকির থাকে।

এ কারণে যে, আমরা অতীতে শুনেছি যে, আইডিআরএ মানেই হলো যে, কাজ করে না। আইডিআরএ মানে হলো সমস্যার কোন সমাধান নাই। এবং মনে হয় আজকে আমি অন্ততপক্ষে এই পর্যায়ে এসেও একটু ভীত যে, আইডিআরএ বেশি গালি খায় নাই আপনাদের কাছ থেকে। রেগুলেটর যতটুকু গালি খাওয়ার কথা, ততটুকু খায় নাই।

আমি আমার বক্তব্য শুরু করবো এক্কেবারে শেষের দিক থেকে। কারণ আমার এক্কেবারে আগের আগেও কিছু বক্তব্য আমি শুনেছি। যেমন ইন্স্যুরেন্সের সবচেয়ে প্রবীণ যারা, তাদের কাছ থেকে। আমাদের শ্রদ্ধেয় সম্মানিত নাসির সাহেব বক্তৃতা করেছেন, মাহবুবুর রহমান সাহেব বক্তৃতা করেছেন। এবং তাদের দু'জনের বক্তৃতা কাকতালীয়ভাবে কিন্তু একটা জায়গায় গিয়ে এক হয়ে গেছে। ওনারা যেটাতে অগ্রাধিকার দিয়েছেন সেটা হলো- কমিশন নিয়ে যে সমস্যা।

আমার মনে হয় যে, ওনাদের দীর্ঘ দিনের এক্সপেরিয়েন্সে জানেন যে, ইন্স্যুরেন্সের সমস্যাটা আসলে কোথায় নিহিত। সেই সমস্যাটাই সবার আগে তুলে ধরেছেন। এবং দু'জনেরই ব্যাপারটা কমন। এবং আমি ব্যক্তিগতভাবে মনে করি যে, আমাদের যে আয়োজনের ফোকাস যেটা, ফোকাস যদিও নতুন বাজার সৃষ্টির সমস্যার সমাধানের উপায়, বর্তমান নিয়ম অনুযায়ী বিনিয়োগের সমস্যার নতুন কৌশল নির্ধারণ- এই দু'টাতে যদি আমি থাকি। আমি প্রথম দু'টা পড়ে নিব।

আমি এই দু'টাতে যদি থাকি, এই দু'টার মধ্যে আমার কিন্তু বড় একটা প্রবলেম থেকে গেলো- এই কমিশনের ব্যাপারে যে কথা-বার্তা যেগুলো আছে বাজারে, এগুলো যদি আমরা এড্রেস করতে না পারি তাহলে আমাদের নতুন বাজার সৃষ্টি হলেও আমার কোন সমস্যার সমাধান হবে না। আর ইন্স্যুরেন্সেরও কোন ডেভেলপমেন্ট হবে না।

এখন এই কমিশন। আমাদের সেক্টর যেহেতু দুইভাবে বিভক্ত- একটা লাইফ এবং একটা নন-লাইফ। আমি নন-লাইফের ক্ষেত্রে বলবো যে, নন-লাইফের ক্ষেত্রে আমাকে আইন যতটুকু পারমিট করে তার চাইতে বেশি খরচ করে বা বেশি কমিশন দিয়ে ব্যবসা আহরণ করলে সেটা কতটুকু নৈতিক ।

ইন্স্যুরেন্স মানে হলো রিস্ক নেয়া। এবং আমি অতিরিক্ত কমিশন দিয়ে কিন্তু আমি নিজেই রিস্কের মধ্যে থেকে যাচ্ছি। আমাকে কে সেভ করবে। আমি তো নিজেই রিস্কে আছি। আমি রিইন্স্যুরেন্স করছি, রিইন্স্যুরেন্সের টাকাটাই আমার হাতে নাই। আমি কাকে দিয়ে দিয়েছি, পার্টিকে দিয়ে দিয়েছি বা এজেন্টকে দিয়ে দিয়েছি কমিশন হিসেবে।

তো এখানে যে আমাদের শ্রদ্ধেয় মাহবুবুর রহমান সাহেব সবার শেষে বলে গেলেন যে, আসলেও আমাদেরকে টার্গেট ফিক্সড করে এই ২০১৮ সালের মধ্যে আমাদের কোন একটা ওয়ে আউট আমাদের করতে হবে এই কমিশনিং এর ব্যাপারে।

এখানে শ্রদ্ধেয় এমডি আছেন পি কে রায়, এই সেক্টরে বহু দিন যাবৎ আছেন। আমি ইন্স্যুরেন্স রেগুলেটরিতে যোগদান করার পর থেকেই উনি বলছেন যে, ইন্স্যুরেন্সে এই ধরণের প্রতিযোগিতামূলক মার্কেটে নিয়ম অনুযায়ী ৪০% কমিশন দিয়ে সাসটেইন করা অসম্ভব। নতুন কোন ব্যবসা আনাই অসম্ভব।

এবং আমার পাশে বসে আছেন কর্ণফুলী ও মেঘনা ইন্স্যুরেন্সের চেয়ারম্যান মহোদয়। উনি বললেন যে, ২/৩টা কোম্পানি যদি এই কমিশনের ব্যাপারে সিদ্ধান্ত গ্রহণ করে যে আমরা অতিরিক্ত কমিশন দেব না। তাহলে নন-লাইফ ইন্স্যুরেন্স সেক্টরটাই ঠিক হয়ে যাবে। 

এটাও আমি কিন্তু মাথার মধ্যে নিয়েছি। কারণ, ফর ইওর কাইন্ড ইনফরমেশন আমরা কিছু দিন আগে একটা মিটিং করেছিলাম আমাদের চেয়ারম্যান স্যারের সভাপতিত্বে। এবং সেই মিটিংয়ে আপনারা সবাই চেয়ারম্যান মহোদয়গণ উপস্থিত ছিলেন।আজকে এখানে আমাদের সাথে উপস্থিত আছেন আমাদের এক্সিকিউটিভ ডাইরেক্টর খলিল সাহেব। খলিল সাহেবের প্রেজেন্টেশনে দেখা যায় যে, আসলে ৪৬টি নন-লাইফ ইন্স্যুরেন্স কোম্পানি বা ৩২টা লাইফ ইন্স্যুরেন্স কোম্পানি সবাই কিন্তু সমভাবে ব্যবসা করে না।

এদের মধ্যে মেজর ব্যবসাটা কোন কোন কোম্পানির কাছে। এটা লাইফের ক্ষেত্রেও প্রযোজ্য, আবার নন-লাইফের ক্ষেত্রেও প্রযোজ্য। ওদের মার্কেট ক্যাপটা অনেক বড়। তো ওনারা যদি নিজেদের মধ্যে আন্তরিকভাবে, আমরা সবাই মিলে একটা সিদ্ধান্ত নিতে পারি যে, আমরা কমিশনের ব্যাপারে এই সিদ্ধান্ত নিলাম এবং এটা ফর দ্যা সেক অব হোল ইন্ডাস্ট্রি। ফর দ্যা সেক অব মাই এন্ড ফর সাম অলসো। যে, আমি এই পর্যায়ে আমি দেব। আমি অন্তত ২/৩ বৎসর ব্যবসা করে দেখি আমার ব্যবসার কোন লাভ হয় কি না।

আমার মনে হয়, আমরা এমন দৈন্যদশায় পরি নাই যে, আমরা ইন্স্যুরেন্সের কমিশনের ব্যাপারে একটা সিদ্ধান্ত নিলে আমরা সেটা বাস্তবায়ন করতে পারব না। এরপরও যদি বাস্তবায়িত না হয় তাহলে ওই রেগুলেটরি আসপেক্ট থেকে একটা ঠিক করা যেতে পারে। এবং আমি এটাও বলবো আপনাদের সদয় অবগতির জন্য যে, সম্ভবত গতকালকে আমাদের এখান থেকে একটা ফাইল মুভ হয়েছে। আমাদের এক্সিকিউটিভ ডাইরেক্টর খলিল সাহেবের উদ্যোগেই। এবং সেইটা আবার রিমাইন্ড করে দেয়া- এই কমিশনিং এর ব্যাপারে এবং এইটা আমাদের এখান থেকে একটা শেষ রিমাইন্ডার হতে পারে। 

শেখ কবির হোসেন: শেষ কি আমাদের শেষ, না কোনটার শেষ...

গকুল চাঁদ দাস: আইডিআরএ’র পক্ষ থেকে আমরা একটা শেষ রিমাইন্ডার দিতে চাই ইন্স্যুরেন্স কোম্পানিগুলোকে। ইন্স্যুরেন্স কোম্পানিগুলোকে রিমাইন্ড করে দেয়া।  যেমন এর আগেও অতীতে কয়েকবার এরকম চিঠি দেয়া হয়েছে। আমি যেটা প্রস্তাব করতে চাই সেটা হলো- কারণ আমি সবগুলো পয়েন্ট এখানে লিখেছি। আজকের সেমিনারে অনেকে অনেকগুলো পয়েন্ট দিয়েছেন। আমি সবগুলো পয়েন্ট লিখেছি। সেই পয়েন্টগুলো নিয়ে রিপ্রেজেন্টিটিভ আকারে মিটিং হতে পারে। এই পয়েন্টগুলো নিয়ে।  কারণ, সমস্যা তো অনেকগুলো। সব সমস্যার সমাধান এখানে বসেও হবে না।

আর আমি একটা প্রস্তাব দিচ্ছি- আমরা আপনারা সবাই মিলে আইডিআরএ অফিসে একটা মিটিং হতে পারে। ছোট আকারে। সেই মিটিংয়ে আমরা দরকার হয় আমাদের বিশেষজ্ঞ পর্যায়ে যারা আছেন তাদেরকে ইনভলভ করলাম। আপনাদের এসোসিয়েশনের প্রতিনিধিও থাকলেন। এমডি সাহেবদের প্রতিনিধিও থাকলেন। সবাই মিলে এসব পয়েন্টের ওপরে একটা একটা করে আলোচনা এবং ছোট আকারে একটা প্রস্তাব বানিয়ে তার সমাধানের দিকে আমরা যেতে পারি। কারণ, এখানে বসে এতোগুলো পয়েন্ট সমাধান করা সম্ভব হবে না। শর্ট টাইমে। আর বীমা নীতির ব্যাপারে আমি পরের মানে আলোচনার ৪টা ফোকাসের মধ্যে আমি ২টা ফোকাসের ব্যাপারে আলাপ করবো। ৩ এবং ৪ নিয়ে আমি আলাপ করলাম একসাথে।

আর বীমা নীতির ব্যাপারে, এটা অবশ্যই সত্য। আমাদের জালালুল আজিম সাহেব যেটা বলেছেন বা ইব্রাহীম সাহেব যেটা বলেছেন, বীমা নীতির ব্যাপারে সরকার একটা পলিসি তৈরি করে দিয়েছেন। সেটা আমরা আসলে ব্যর্থতার দায়ভার আমাদের নিতে হবে যে, আমরা বাস্তবায়নের জন্য যথেষ্ট সচেষ্ট হইনি বা উদ্যোগ নেইনি।

এটার ব্যাপারে আমাদের অলরেডি মাথার মধ্যে আছে। তো আমরা খুব সহসাই একটা ছোট আকারে কমিটি গঠন করে বীমা নীতির ব্যাপারে আমাদের বাস্তবায়নের স্টেপটা- আমরা কোথায় আছি, কি পর্যায়ে আছি এবং কি করতে হবে। প্রয়োজনে আমাদের হয়তোবা একটা প্রস্তাব দিতে হবে মন্ত্রণালয়কে যে, আমাদের সময় আরো কিছু বৃদ্ধি করে দেয়ার জন্য। এই যে আমাদের টাইমফ্রেম যেটা- শর্ট টার্ম, লং টার্ম বা মিডিয়াম, মিডটার্ম যেগুলো।  এগুলোর টাইমটা আরেকটু বৃদ্ধি করার জন্য হয়তো মন্ত্রণালয়কে বা সরকারকে একটা প্রস্তাব করতে হবে।

আর আইন-কানুন যেগুলো নিয়ে আমাদের সোহরাব সাহেব যেটা বলছেন। আইন-কানুনের বিষয়টা আসলেই একটু জটিল। কারণ সব স্টেকহোল্ডারদের সাথে আলাপ করে একটা আইন করতে গিয়ে আমি এখানে স্টেকহোল্ডার আপনাদের সাথে আলাপ করলাম। আলাপ করে একটা আইনের ড্রাফট রেডি করে মন্ত্রণালয়কে পাঠালাম। পাঠানোর পর মন্ত্রণালয় মানে আমার বাম পাশে বসে আছেন আমারই কলিগ, উনি যদি একটা দারি বা কমা চেঞ্জ করতে হয়, চেঞ্জ করে যদি আমাকে আবার বলে যে, তুমি এটা ফ্রেস করে আমাকে পাঠাও আবার।

আমার কিন্তু নীতি এবং নৈতিকতা যদি আমার থাকে, আমার কিন্তু আবার আপনাদের স্টেকহোল্ডারদের সাথে বসা উচিত।  কারণ, আমি তো আপনাদের সাথে বসে এই কাগজটা ঠিক করেছিলাম। এবার এটাতে মন্ত্রণালয় যদি একটা লাইন যোগ করে বা বিয়োগ করে, আমার আবারতো আপনাদের সাথে বসা উচিত। আপনাদের জানানো উচিত যে, মন্ত্রণালয় এর সাথে এই সেন্টেন্সটা বাদ দিয়ে দিয়েছে বা এই শব্দটা ঢুকিয়েছে। নইলে তো আপনারা আমাকে চ্যালেঞ্জ করতে পারেন যে, আমরা যেটা দিয়েছিলাম এটা তো সেটা না।

তো এর জন্য এই যে প্রক্রিয়া যেটা, এই প্রক্রিয়াটাই আসলে একটু ট্রাবলসাম বলে মনে হয় আমার কাছে। একটু সময় সাপেক্ষ বিষয়। আমাদের অনেকগুলো রেগুলেশন, আমরা ওয়েবসাইটে দিয়েছি। এটা যেমন সত্য আবার কিছু কিছু বিষয় আছে মন্ত্রণালয়ের সাথে পাইপলাইনের মধ্যেও। আমরা চেষ্টা করছি প্রত্যেক মাসেই একবার মিটিং করি। মিটিং করে আমাদের মাননীয় সদস্য মহোদয় এটার হাল অবস্থা সম্পর্কে জানার চেষ্টাও করেন।

আমরা আশা করি কিছু একটা করতে পারবো। একসাথে ৫/৬টা রুলস এবং রেগুলেশন্স নিয়ে কাজ করছি। আর আইন পরিবর্তন যেটা, এটাও আপনাদের প্রস্তাব আমার কাছে লেখা আছে, আমরা নিলাম। এটা আমরা দেখব অবশ্যই, এটার কোন, কি করা যায়। এ পর্যায়ে আমাকে বক্তব্য বলার সুযোগ দেয়ার জন্য আপনাদের সবাইকে ধন্যবাদ জানিয়ে শেষ করছি।

শেখ কবির হোসেন: আপনাকে ধন্যবাদ। আজকে যেটা আলোচনা হয়েছে, আপনিও পয়েন্ট রাখছেন।, আমাদের তরফ থেকে মোরতুজা সাহেব নোট করছেন। সব কিছু নিয়ে আমার মনে হয় আপনি যদি ইমিডিয়েট একটা মিটিংয়ের ব্যবস্থা করেন এবং যাকে দরকার তাকেই ডাকবেন। মানে, সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি এবং দক্ষ যাদেরকে দিয়ে কাজ হবে তাদেরকে ডাকবেন। ডেকে ওইখানে আলাপ করে এটার একটা সমাধান বের করবেন। ধন্যবাদ আপনাকে।

আমি এখন অনুরোধ জানাচ্ছি অর্থ মন্ত্রণালয়ের যিনি ইন্স্যুরেন্স সেক্টরটা দেখা-শোনা করেন। অত্যন্ত দক্ষ অফিসার। উনি সব সময় চেষ্টা করেন আমাদের জন্য কিছু করার, আমাদের উন্নয়নের জন্য। উনি হলেন জনাব মানিক চন্দ্র দে, সচিব, ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠান বিভাগ, অর্থ মন্ত্রণালয়।  তাকে আমি অনুরোধ জানাবো বক্তব্য রাখার জন্য... 

মানিক চন্দ্র দে: বাংলাদেশ ইন্স্যুরেন্স এসোসিয়েশন কর্তৃক আয়োজিত আজকের এই গুরুত্বপূর্ণ গোলটেবিল আলোচনা। এটা সহযোগিতা করেছেন ইন্স্যুরেন্সনিউজবিডি ডটকম। আমি মনে করি যে, খুব গুরুত্বপূর্ণ একটি গোলটেবিল আলোচনা। এখানে যেমন আছেন বীমার বিশেষজ্ঞবৃন্দ। তেমন আছেন বিভিন্ন বীমা কোম্পানির চেয়ারম্যান এবং এমডি বৃন্দ আছেন। এবং অন্যান্য সুধীজন আছেন। এখানে আছেন আইডিআরএ’র মাননীয় চেয়ারম্যান এবং এখানে সঞ্চালক হিসেবে যিনি আছেন তিনি সবার শ্রদ্ধেয় বিআইএ’র প্রেসিডেন্ট শেখ কবির হোসেন। এখানে আছেন প্রিন্ট ও ইলেক্ট্রনিক সাংবাদিকবৃন্দ।

সবাইকে ধন্যবাদ জানাচ্ছি এবং কৃতজ্ঞতা জানাচ্ছি আমাকে কিছু বলার জন্য।

আপনারা জানেন যে, মন্ত্রণালয়ের কাজ হলো পলিসি ফাউন্ডেশন, আইন-কানুন বিধি-বিধানগুলো তৈরি করা।  তো একটু আগে আমার সহকর্মী বলেছেন যে, আইনগুলো তৈরি করার ক্ষেত্রে কিছু কিছু যে সমস্যা, পদ্ধতিগত সমস্যা যেগুলো আমরা কিছুটা দেখি। আলোচনা করি আইডিআরএ’র সাথে বা যারা আইনটা করে দিল তাদের সাথে। তার পরে এটা আইন মন্ত্রণালয়ে পাঠাই ড্রাফটিং এ।  সেখানে গিয়ে এটার নানা রকম পোস্টমর্টেম হয়।  এতে বেশ সময় নেয়।

শেখ কবির হোসেন: কোথায় হয় এটা?

মানিক চন্দ্র দে: এটা ড্রাফটিং, ল' মিনিস্ট্রিতে হয়।  ড্রাফটিং হয়, সেখানে মাঝে মাঝে দেখা যায় এমনসব উলট-পালট পরিবর্তন চলে আসে যেটা মূল কনসেপ্টেরই সম্পূর্ণ বিপরীত। ফলে আমাদেরকে এটা আবার আইডিআরএ তে না পাঠিয়ে উপায় থাকে না।  তখন আইডিআরএ তে পাঠাই। আইডিআরএ যেটা বললো যে, এটা তো আইডিআরএ একাও করতে পারে না, স্টেকহোল্ডারদের সাথে কথা বলতে হয়। তো এই কথা বলার জন্য আমরা আবার একটা সময় বেঁধে দেই। তো এইগুলি নানান রকম পদ্ধতিগত বিষয়ের মধ্যেও কিন্তু আমরা উৎরিয়ে যাচ্ছি। আমরা কিন্তু এগুচ্ছি। আমরা যতটুকু পারি একটু একটু করে এগুচ্ছি।

তো আমি এখানে বিভিন্ন বক্তার যে বিভিন্ন বিষয়ে, বিভিন্ন পয়েন্টে কথা বলেছেন। আমি যতটুকু পেরেছি নোট করেছি। এগুলোকে আমি সাম-আপ করব। করে আমি মন্ত্রণালয়ে আমার মাননীয় সিনিয়র সচিব মহোদয়ের কাছে পেশ করবো। এবং এগুলো নিয়ে নিয়ে আমরা অবশ্যই বসবো এবং কথা বলবো। আর এগুলো হলো আমাদের সাইট যেগুলো, যে বিষয়গুলো আছে। যেমন যে, এমআরএ (মাইক্রোক্রেডিট রেগুলেটরি অথরিটি)’র, মাইক্রো ফাইন্যান্স যারা করে তারা নিজেরা বীমা করে- সে বিষয়গুলো নিয়ে ইতোমধ্যে আমরা চিন্তা-ভাবনা করেছি। এমআরএ’র সাথে আমরা শিগগিরই বসবো।

আর একটি বিষয় কিছু দিন আগে আইডিআরএ’র এক্সিকিউটিভি ডাইরেক্টর খলিলসহ আমরা জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ে গিয়েছিলাম। এখানে আমাদের জীবন বীমা করপোরেশনের মাননীয় চেয়ারম্যান আছেন। উনি আমাদের অগ্রজ, আমাদের সার্ভিসের।  উনি যে পয়েন্টটা উঠিয়েছেন সেখানে দেখা যাচ্ছে যে, ওদের যে গ্রুপ ইন্স্যুরেন্স বা স্বাস্থ্য বীমা- এগুলি এখন জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের উদ্যোগে নিজেরা করতে চাচ্ছে। কিন্তু এটা তো আসলে তারা করতে পারে না। এটা করতে হবে ইন্স্যুরেন্স কোম্পানির মাধ্যমে। এটার একটা কনসেপ্ট পেপার তৈরি করবে আইডিআরএ, কিভাবে করতে হবে এটা ফর্মুলেশন করে এটা কোন ইন্স্যুরেন্স কোম্পানির দ্বারা করতে হবে।

সেই বিষয়গুলো নিয়ে যখন আমরা বলতে গেলাম, বললাম। এখানে খলিলও বলেছে, আমিও বলেছি। কিন্তু তারা কিছুতেই বুঝতে চায় না। পরে বললো যে, আমরা নাকি জুনিয়র পর্যায়ের কর্মকর্তা। আমরা আইন-কানুনের বেশি প্রয়োগ করি, বেশি স্টিক থাকি। অতএব  সিনিয়রদের সঙ্গে -  তার মানে মিন করলো হয়তো আমাদের মাননীয় মন্ত্রী বা সিনিয়র সচিবের সাথে কথা বলবে।  পরে অবশ্য আমার দিকে তাকিয়ে বললো, ও অবশ্য জুনিয়র না, ও সিনিয়র...। তো যাই হোক এই চ্যালেঞ্জগুলো আমাদের আছে। আমাদের মনে হয় যে, আমাদের মন্ত্রণালয় ও বিভিন্ন মন্ত্রণালয়কে নিয়ে বীমা সম্পর্কে, বীমার আইনটা সম্পর্কে এবং বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ে, আমাদের জীবন বীমার মাননীয় চেয়ারম্যান যেমন  বললেন, গার্মেন্টেসের শ্রমিকদের কথা, বা বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ও তাদের স্টেকহোল্ডারদের নিয়ে আলোচনা করতেহবে যে, তারা  নিজেরা বীমা করতে পারবে না। এটা করতে হবে বীমা কোম্পানির মাধ্যমে।

তো এই বিষয়গুলো বুঝানোর দায়িত্ব আমাদেরও আছে। এখন কিন্তু একটা শৃঙ্খলার মধ্যে আইডিআরএ কাজ করছে। আর আমাদের সিনিয়র সচিব মহোদয়ের নেতৃত্বে আমরাও কাজ করার চেষ্টা করছি। তো সবার সহযোগিতা চাই। আমরা অবশ্যই এগিয়ে যাবো। এবং আপনারাও নতুন নতুন প্রোডাক্ট নিয়ে, চমকপ্রদ প্রোডাক্ট নিয়ে মার্কেটে আসুন। সারাবিশ্বে কিন্তু ইন্স্যুরেন্স নতুন নতুন প্রোডাক্ট নিয়ে নিয়ে এগুচ্ছে। এবং ইন্স্যুরেন্সের ইনক্লুসিভ খুব বাড়াচ্ছে। তো সেটা আপনারাও চেষ্টা করবেন। সবাইকে ধন্যবাদ।

সারসংক্ষেপ: কাজী মোরতুজা আলী:

ধন্যবাদ স্যার। আমার মনে হয়, আমাদের এখানে যারা আসছেন অনেকেই সকল পয়েন্টগুলো লিখেছেন। আলোচনা খুব বেশি হয়নি, সবার স্মরণে আছে। সংক্ষিপ্ত আকারে আমাকে বলতে হবে। যে অর্ডারেই বক্তব্য উপস্থাপন করা হয়েছে আমি সে অর্ডারেই বলি। মানে প্রথমে যিনি বলেছেন সেটা, তারপরে পরের জনের। সংক্ষেপে আমরা বলবো। আজকের সঞ্চালক মহোদয়ের নির্দেশমতো আমি শুধু পয়েন্টগুলো বলবো।

প্রথম বক্তব্য যে পেয়েছি - জীবন বীমার সমস্যার ওপর আলোকপাত করেছেন। তিনি সনাতন বিতরণ ব্যবস্থার বিপরীতে ব্যাংকাস্যুরেন্স চালুর ব্যাপারে যে নির্দেশনা প্রয়োজন সেটা তুলে ধরেছেন। অনলাইন বীমা বিতরণের ব্যবস্থা প্রয়োজন, এটাও বলেছেন। স্কুল ছাত্র-ছাত্রীদের জন্য বীমা আবরণ প্রয়োজন। গোষ্ঠীবীমার পরিবর্তে স্ব-বীমা বা সেলফ ইন্স্যুরেন্স দেয়া বন্ধ করতে হবে। ক্ষুদ্র ঋণ প্রদানকারী সংস্থার স্ব-বীমা ব্যবস্থার প্রতিকার প্রয়োজন।

জীবন বীমা আইনের কতিপয় ধারার অসঙ্গতি ও সাংঘর্ষিক বিষয় তুলে ধরার পরামর্শ দিয়েছেন। বীমা শিক্ষা, প্রশিক্ষণ ও শিক্ষিত তরুণদের আকৃষ্ট করা প্রয়োজন এ কথা বলা হয়েছে। এজন্য নীতি-নৈতিকতা শিক্ষা, সচেতনতা সৃষ্টি, কেন্দ্রীয় তথ্য প্রযুক্তির ব্যবহার এবং ভালো বীমা প্রতিষ্ঠানকে পুরস্কার দেয়া প্রয়োজন এটা তুলে ধরা হয়েছে।

ইনোভেটিভ প্রোডাক্ট - যেটা সম্প্রতি আমাদের মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিবও বললেন। ইনোভেটিভ প্রোডাক্ট নিয়ে বাজারে যেতে হবে। এবং আমাদের অংক, ইংরেজির পাশাপাশি তথ্য প্রযুক্তির জ্ঞানও ব্যবহার করতে হবে। গ্রাহকদের মধ্যে তথ্য সরবরাহ করতে হবে এবং ক্রেডিট ইন্স্যুরেন্সকে ম্যানডেটরি করতে হবে।

ইসলামিক বীমা প্রসারের জন্য উদ্যোগ গ্রহণ করতে হবে। স্বাস্থ্য বীমার প্রসার প্রয়োজন। বীমা একাডেমিতে উপযুক্ত নেতৃত্ব প্রয়োজন।

এরপরে আরো বক্তব্য এসেছে, বীমা নীতি বাস্তবায়নে যে সমস্যাগুলোর কথা বলা হয়েছে এবং কর্মকৌশল যেটা বলা হয়েছে- স্ব-ব্যবস্থাপনার মাধ্যমে মূল সমস্যার সমাধান করা যায়। অতএব আজকে আমরা যে আলোচনা করছি বীমা নীতি বাস্তবায়নের দ্বারাই সমস্যার সমাধান সম্ভব।

ব্যবস্থাপনা পরিচালকদের বয়স সীমা নিয়ে একটু আলোচনা হয়েছে। সরকারিভাবে বীমা সম্পর্কিত বিজ্ঞাপন দেয়া প্রয়োজন, এ প্রস্তাব এসেছে। জেলা প্রশাসক এবং ইউএনও'দের বীমা সম্পর্কে সঠিক ধারণা দেয়া প্রয়োজন, এ বক্তব্য এসেছে। বীমা নীতিকে ধাপে ধাপে বাস্তবায়ন করতে হবে এবং ইসলামী বীমা ব্যবস্থার পূর্ণাঙ্গ বাস্তবায়নের জন্য আইনের অসঙ্গতিসমূহ দূর করতে হবে।

অনৈতিক পদ্ধতি বন্ধ করতে হবে এবং কয়েকটি বিধি অগ্রাধিকার ভিত্তিতে অনতিবিলম্বে প্রণয়ন করতে হবে। সরকারি কর্মচারী কল্যাণ তহবিল যৌথ বীমার নামে যে টাকা গ্রহণ করে তা বীমার মাধ্যমে আবরিত করতে হবে। শ্রম আইনের বিধিমালা অনুসারে আপদকালীন অর্থ বাধ্যতামূলক বীমা করার সত্বেও বাস্তবায়িত করা হচ্ছে না। তহবিল আছে কিন্তু বীমার মাধ্যমে ব্যয়িত হচ্ছে না। আইন বাস্তবায়নের জন্য প্রয়োজনে আদালতে যেতে হবে।   

আমাদের সমস্যা আমাদেরকেই সমাধান করতে হবে। এবং আমাদের যে মূল প্র্যাকটিসগুলো আছে, আন-এথিকাল প্র্যাকটিস আছে সেটা চিহ্নিত করে এসোসিয়েশনকে তা বাস্তবায়নের জন্য উদ্যোগ নিতে হবে। গণ সচেতনতার জন্য মিডিয়া ব্যবহার করতে হবে এবং বুদ্ধিজীবীদের এ ব্যাপারে ভূমিকা রাখতে হবে।

মিসট্রাস্ট দূর করতে হবে। বাকীতে বীমার বিষয়টি আমাদেরকে তুলে ধরা হয়েছে। এ ব্যাপারে একটা সুরাহা করা দরকার। বীমা একাডেমির কলেবর বৃদ্ধি করতে হবে। এটি ইনস্টিটিউটে পরিণত করতে হবে। বীমা নীতি বাস্তবায়নে আমলাদের প্রশিক্ষণের সময় পিএটিসিতে বীমা ও ঝুঁকি ব্যবস্থাপনা বিষয় প্রণয়ন করা প্রয়োজন। জাতীয় বীমা দিবস যথাশিঘ্র চালু করতে হবে। সামাজিক বীমা চালুর মাধ্যমে বীমার বিস্তার ঘটাতে হবে।

এরপরেই যে প্রস্তাব এসেছে সেটা হচ্ছে- যৌথ উদ্যোগে বাংলাদেশে বীমা কোম্পানি গড়ে তোলা প্রয়োজন। নিয়মামাফিক বীমা কোম্পানি চালানো হচ্ছে না। কিন্তু স্ট্যাটুটরি অডিটও নিয়মিত হচ্ছে না। পলিসিহোল্ডারদের স্বার্থ যথাযথ দেখা হচ্ছে না। ব্যবস্থাপনা পরিচালকদের যোগ্যতা, বিশ্বস্ততা নিম্ন পর্যায়ে রয়েছে, সেটা উন্নত করতে হবে। জনগণ যেন প্রতারিত না হয়, বিশেষ করে পলিসিহোল্ডার সেটার দিকে দৃষ্টি দিতে হবে।

বীমা একটা মৌলিক প্রয়োজন। এর সঠিক পরিচালনার জন্য বিধি প্রণয়নে সমস্যা হচ্ছে স্টেকহোল্ডার বা বীমা কর্তৃপক্ষ ছাড়া এখানে একদল বিশেষজ্ঞের প্রয়োজন। যাতে করে বীমা বিধি বা প্রবিধানগুলো মূল আইনের সাথে বা শাসনতন্ত্রের সাথে সংঘর্ষশীল না হয়।

এর পরের যে প্রস্তাব সেটা হচ্ছে, আমাদের নিজেদের যে অজ্ঞতা অর্থাৎ বীমা ব্যবস্থাপকদের বা ব্যবস্থাপনা পরিচালকদের যে অজ্ঞতা সেটা দূর করার জন্য এদের প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা করতে হবে। বীমা কর্মীর সংখ্যা কমে যাচ্ছে এবং এজেন্টদের প্রশিক্ষণ যথেষ্ট কার্যকর হচ্ছে না বলেও অভিমত প্রকাশ করা হয়েছে।সাধারণ বীমার বড় সমস্যা কমিশন ব্যবস্থার অব্যবস্থাপনা এবং লাগামহীন কমিশন প্রদান। নৈতিকতার উন্নয়ন ব্যতিরেকে বীমা শিল্পে শৃঙ্খলা নিয়ে আসা অত্যন্ত দুষ্কর।

এরপরেই যে সমস্যাটার কথা বলা হয়েছে সেটা হচ্ছে যে, আইডিআরএ’র জনবল বৃদ্ধি এবং বিধি-প্রবিধান প্রণয়ণে যে সমস্যা। এই বীমা কোম্পানির আইন না মানার সংস্কৃতি সম্পর্কে অপ্রীতিকর বক্তব্য এসেছে। আমরা মনে করি সংবাদিকরা এ বিষয়ে কিছু লিখবেন না।

সবচাইতে সস্তায় বীমা ক্রয়ের প্রবণতা বন্ধ করতে হবে। বীমার বিস্তৃতি ঘটানোর মাধ্যমে আন্ডারহ্যান্ড কমিশন দেয়া বন্ধ করতে হবে। রেগুলেশন প্রয়োজন বীমা শিল্পের উন্নয়নের জন্য, শিল্পের স্থবিরতার জন্য নয়। বেশ কিছু বীমা আইনের ধারা উল্লেখ করে বলা হয়েছে যে, বীমা আইনের অস্পষ্টতা দূরীকরণের জন্য একটা কমিটি গঠন প্রয়োজন। এবং বিধি-প্রবিধান প্রণয়নের জন্য এডভাইজরি কমিটি গঠন করে বা পলিসি কমিটি গঠন করে তার মাধ্যমে আইনগুলো পরিবর্তন করার উদ্যোগ গ্রহণ করা দরকার।

তাকাফুলের জন্য আইন, বিধি বা প্রবিধান করা অত্যন্ত জরুরি। একাউন্সের জন্য প্রবিধান, করপোরেট এজেন্টদের জন্য প্রবিধান, ইনভেস্টমেন্ট লিংকড পলিসির জন্য প্রবিধান, মাইক্রা ইন্স্যুরেন্সের জন্য প্রবিধান এবং শেয়ারহোল্ডার ও পলিসিহোল্ডারদের ফান্ড পৃথকীকরণ অত্যন্ত প্রয়োজন।

এরপরে আরো প্রস্তাব এসেছে আমাদের কাছে যে, প্রবীণ ব্যক্তিদের যে উদ্বেগ সেটা হচ্ছে কমিশন ব্যবস্থার অবস্থার নিরশন। অতিরিক্ত ব্যয় করে বীমা প্রতিষ্ঠানসমূহ নিজেরাই নিজেদেরকে ঝুঁকির মধ্যে ফেলে দিচ্ছে। মার্কেট লিডার্সদের অগ্রণী ভূমিকা এ ব্যাপারে নিতে হবে।

আইডিআরএ সব বিষয় নিয়ে একটি ছোট আকারে যৌথ সভার মাধ্যমে ধাপে ধাপে সব সমস্যার সমাধান ও প্রতিকার করতে অঙ্গীকারবদ্ধ। বীমা নীতি বাস্তবায়নে আমরা কোথায় আছি, কোথায় যাব এ বিষয়ে সময়সীমা বৃদ্ধির জন্য মন্ত্রণালয়কে অনুরোধ করতে হবে।

আইন ও বিধি প্রণয়নের ক্ষেত্রে ইডরা যথাসাধ্য চেষ্টা করে যাচ্ছে। এবং এ ব্যাপারে পরবর্তীতে আমাদের সচিব সাহেব সবচাইতে পরে বলেছেন যে, বিধি প্রণয়নে পদ্ধতিগত সমস্যা এবং দীর্ঘ সূত্রিতার বিষয়টি আমাদের বুঝতে হবে। এবং এমআরএ'র সাথে মন্ত্রণালয়ের বৈঠক করে বা আন্তঃমন্ত্রণালয় বৈঠক করে স্ব-বীমার যে অসুবিধা বা আইনগত বাধা সেই বিষয়টি সকল মন্ত্রণালয়কে, সংশ্লিষ্ট সকল মন্ত্রণালয়কে এটা অবহিত করতে হবে। ইনোভেটিভ প্রোডাক্ট এবং ফাইনান্সিয়াল ইনক্লুসনের প্রতি সচিব মহোদয় জোর দিয়েছেন। ধন্যবাদ।