বেকারত্ব কমাতে নতুন সম্ভাবনা দেখাচ্ছে বীমা খাত

নিজস্ব প্রতিবেদক: দেশে বেকারত্ব ও যুব কর্মসংস্থানের চ্যালেঞ্জের মধ্যে নতুন সম্ভাবনা দেখাচ্ছে বীমা খাত। বিশেষজ্ঞদের মতে, বীমা শিল্পের পরিধি বাড়লে তরুণদের জন্য নতুন কর্মসংস্থানের সুযোগ তৈরি হবে, পাশাপাশি অর্থনীতির বিভিন্ন খাতেও ইতিবাচক প্রভাব পড়বে। সুশাসন, প্রযুক্তিনির্ভর সেবা এবং বীমা সচেতনতা বৃদ্ধির মাধ্যমে এই খাত দেশের কর্মসংস্থান সৃষ্টির একটি গুরুত্বপূর্ণ মাধ্যম হয়ে উঠতে পারে।

বাংলাদেশের অর্থনীতি গত এক দশকে উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি অর্জন করলেও কর্মসংস্থান এখনো বড় একটি চ্যালেঞ্জ। বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোর (বিবিএস) তথ্য অনুযায়ী, দেশের শ্রমশক্তির সংখ্যা প্রায় ৭ কোটি ৩৮ লাখ। সরকারি বিভিন্ন পরিসংখ্যান অনুযায়ী বেকারত্বের হার ৪ থেকে ৫ শতাংশের মধ্যে থাকলেও তরুণদের মধ্যে এই হার আরও বেশি। বিভিন্ন গবেষণা ও আন্তর্জাতিক সংস্থার তথ্য অনুযায়ী, যুব বেকারত্বের হার প্রায় ৯.৪ শতাংশ। ফলে প্রতি বছর শ্রমবাজারে প্রবেশ করা বিপুলসংখ্যক তরুণের জন্য নতুন কর্মসংস্থানের ক্ষেত্র তৈরি করা এখন সময়ের অন্যতম বড় প্রয়োজন।

সম্ভাবনা অনেক, কিন্তু এখনো পিছিয়ে বীমা খাত

বাংলাদেশে বীমা অনুপ্রবেশ হার বা জিডিপির তুলনায় বীমা খাতের আকার মাত্র ০.৫ শতাংশ। অথচ ভারতে এ হার ৩.২ থেকে ৪.২ শতাংশ, ভিয়েতনামে প্রায় ২.৩ শতাংশ এবং উদীয়মান অর্থনীতিগুলোর গড় প্রায় ৩.৩ শতাংশ। অর্থাৎ ভারতের তুলনায় বাংলাদেশের বীমা অনুপ্রবেশ ৬ থেকে ৮ গুণ কম। এই পরিসংখ্যানই বলে দেয়, দেশের বীমা খাত এখনো তার প্রকৃত সম্ভাবনার অনেক নিচে অবস্থান করছে।

বর্তমানে দেশে ৩৬টি লাইফ বীমা এবং ৪৬টি নন-লাইফ বীমা কোম্পানিসহ মোট ৮২টি বীমা প্রতিষ্ঠান কার্যক্রম পরিচালনা করছে। লাইফ বীমা খাতে ২৩ হাজারের বেশি পূর্ণকালীন কর্মী কাজ করছেন। এছাড়া ৬ লাখেরও বেশি এজেন্ট, উন্নয়ন কর্মকর্তা ও বিপণনকর্মী সরাসরি বা পরোক্ষভাবে এই শিল্পের সঙ্গে যুক্ত। খাতটির বার্ষিক মোট প্রিমিয়াম আয় প্রায় ১৮ হাজার ৮০০ কোটি টাকা। ফলে বীমা খাত ইতোমধ্যেই দেশের অন্যতম বৃহৎ সেবা ও আর্থিক খাত হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হয়েছে।

বিশেষজ্ঞদের মতে, বীমা অনুপ্রবেশ হার যদি আঞ্চলিক গড়ের কাছাকাছি পর্যায়ে উন্নীত করা যায়, তাহলে শুধু পলিসি বিক্রয় নয়, গ্রাহকসেবা, দাবি নিষ্পত্তি, ঝুঁকি মূল্যায়ন, তথ্য বিশ্লেষণ এবং প্রযুক্তি ব্যবস্থাপনাসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে ব্যাপক কর্মসংস্থানের সুযোগ তৈরি হতে পারে।

যুবকদের জন্য কেন গুরুত্বপূর্ণ বীমা খাত

বীমা এমন একটি শিল্প যেখানে শিক্ষার্থী, নতুন স্নাতক এবং অভিজ্ঞ পেশাজীবী- সবার জন্য কাজের সুযোগ রয়েছে। বিক্রয় ও বিপণন, গ্রাহকসেবা, আন্ডাররাইটিং, ঝুঁকি মূল্যায়ন, দাবি নিষ্পত্তি, হিসাবরক্ষণ, মানবসম্পদ ব্যবস্থাপনা, তথ্য বিশ্লেষণ এবং প্রযুক্তি বিভাগে নিয়মিত জনবল প্রয়োজন হয়। ফলে বিশ্ববিদ্যালয় ও কলেজ থেকে পাস করা তরুণদের জন্য এটি একটি সম্ভাবনাময় কর্মক্ষেত্র।

জেনিথ ইসলামী লাইফ ইন্স্যুরেন্স পিএলসির ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও মুখ্য নির্বাহী কর্মকর্তা এস এম নুরুজ্জামান বলেন, “বাংলাদেশের বীমা খাতে তরুণদের জন্য পার্টটাইম ও ফুলটাইম- উভয় ধরনের কাজের ব্যাপক সুযোগ রয়েছে। বিশেষ করে মার্কেটিং ও সেলস বিভাগে জনবলের চাহিদা সবচেয়ে বেশি। প্রায় সব কোম্পানিতেই নিয়মিত নতুন কর্মী প্রয়োজন হয়। শিক্ষার্থীরা পড়াশোনার পাশাপাশি এই খাতে কাজ করে অভিজ্ঞতা অর্জন করতে পারেন। আবার চাকরিপ্রত্যাশীদের জন্যও এটি সম্ভাবনাময় একটি কর্মক্ষেত্র। বীমা শিল্প ক্রমেই আধুনিক ও সম্প্রসারিত হচ্ছে। দক্ষতা, পরিশ্রম ও যোগ্যতার মাধ্যমে একজন কর্মী এই খাতে সর্বোচ্চ পর্যায়ে পৌঁছানোর সুযোগ পান।”

কর্মসংস্থান বাড়াতে সুশাসনের বিকল্প নেই

বীমা বিশেষজ্ঞ এ কে এম এহসানুল হক, এফসিআইআই বলেন, “বীমা খাতকে কর্মসংস্থানের বড় উৎসে পরিণত করতে হলে প্রথমেই সুশাসন নিশ্চিত করতে হবে এবং দুর্নীতিমুক্ত পরিবেশ গড়ে তুলতে হবে। একই সঙ্গে কর্মীদের আর্থিক ও সামাজিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করা জরুরি। বেতন, বোনাস ও অন্যান্য সুবিধা যথাযথভাবে প্রদান করা হলে তরুণদের কাছে বীমা খাত আরও আকর্ষণীয় হয়ে উঠবে। দক্ষ ও মেধাবী জনবল ধরে রাখতে প্রতিযোগিতামূলক পারিশ্রমিক অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। অন্যথায় এই খাতের সম্ভাবনা পুরোপুরি কাজে লাগানো কঠিন হবে।”

তিনি আরও বলেন, “মানুষের আস্থা অর্জন করতে পারলে এবং সুশাসন নিশ্চিত করা গেলে বীমা শিল্প শুধু আর্থিক খাত নয়, কর্মসংস্থান সৃষ্টির ক্ষেত্রেও দেশের অন্যতম চালিকাশক্তি হয়ে উঠতে পারে।”

কৃষকদের জন্য কেন গুরুত্বপূর্ণ বীমা

বাংলাদেশের অর্থনীতিতে কৃষি এখনো একটি গুরুত্বপূর্ণ খাত। কিন্তু বন্যা, ঘূর্ণিঝড়, খরা, অতিবৃষ্টি এবং জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে কৃষকরা প্রায়ই বড় ধরনের আর্থিক ক্ষতির মুখে পড়েন। কৃষি বীমা ও আবহাওয়াভিত্তিক বীমা সম্প্রসারণ করা গেলে কৃষকরা নতুন প্রযুক্তি গ্রহণ, উন্নত বীজ ব্যবহার এবং উৎপাদন বাড়াতে আরও উৎসাহিত হবেন। এতে কৃষি খাতের উৎপাদনশীলতা বাড়বে এবং গ্রামীণ অর্থনীতিতে নতুন কর্মসংস্থান সৃষ্টি হবে।

বিশেষজ্ঞদের মতে, কৃষি বীমা সম্প্রসারণের ফলে শুধু কৃষকরাই উপকৃত হবেন না; মাঠপর্যায়ে বীমা প্রতিনিধি, জরিপকারী, তথ্য সংগ্রাহক, কৃষি ঝুঁকি বিশ্লেষক এবং দাবি মূল্যায়ন কর্মকর্তাদের জন্যও নতুন কর্মসংস্থান তৈরি হবে।

মাইক্রোইন্স্যুরেন্স বদলে দিতে পারে গ্রামীণ অর্থনীতি

মাইক্রোইন্স্যুরেন্স হলো নিম্ন আয়ের মানুষ, ক্ষুদ্র ব্যবসায়ী এবং প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর জন্য স্বল্প প্রিমিয়ামের বীমা ব্যবস্থা। এই ধরনের বীমা আর্থিক ঝুঁকি কমিয়ে ক্ষুদ্র উদ্যোক্তাদের ব্যবসা সম্প্রসারণে সহায়তা করে। ফলে তারা নতুন কর্মী নিয়োগ এবং ব্যবসার পরিধি বাড়াতে সক্ষম হন।

সংশ্লিষ্টদের মতে, মাইক্রোইন্স্যুরেন্সের বিস্তার ঘটলে গ্রামীণ এলাকায় নতুন এজেন্ট, মাঠকর্মী, গ্রাহকসেবা প্রতিনিধি এবং ডিজিটাল সেবাকর্মীর চাহিদা বাড়বে। একই সঙ্গে ক্ষুদ্র উদ্যোক্তাদের টিকে থাকার সক্ষমতা বৃদ্ধি পাবে, যা স্থানীয় পর্যায়ে কর্মসংস্থান বৃদ্ধিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

ডিজিটাল বীমা তৈরি করছে নতুন চাকরি

বিশ্বজুড়ে বীমা খাত দ্রুত ডিজিটাল রূপান্তরের মধ্য দিয়ে যাচ্ছে। বাংলাদেশেও অনলাইনে পলিসি বিক্রি, ডিজিটাল দাবি নিষ্পত্তি, মোবাইল অ্যাপভিত্তিক সেবা, ই-কেয়াইসি, তথ্য বিশ্লেষণভিত্তিক ঝুঁকি ব্যবস্থাপনা এবং প্রযুক্তিনির্ভর গ্রাহকসেবা জনপ্রিয় হয়ে উঠছে।

বিশেষজ্ঞদের মতে, এর ফলে অ্যাপ ডেভেলপার, সফটওয়্যার প্রকৌশলী, সাইবার নিরাপত্তা বিশেষজ্ঞ, ডেটা অ্যানালিস্ট, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) বিশেষজ্ঞ, ডিজিটাল মার্কেটিং কর্মকর্তা এবং ইনস্যুরটেক পেশাজীবীদের জন্য নতুন কর্মসংস্থানের সুযোগ তৈরি হচ্ছে। বাংলাদেশের তরুণ জনগোষ্ঠীর জন্য এটি একটি নতুন ও সম্ভাবনাময় চাকরির ক্ষেত্র।

ব্যাংকাস্যুরেন্স খুলছে নতুন সুযোগ

ব্যাংকাস্যুরেন্স হলো ব্যাংক ও বীমা কোম্পানির যৌথ উদ্যোগে বীমা পণ্য বিপণন ও বিতরণ ব্যবস্থা। বাংলাদেশে এই কার্যক্রম চালু হওয়ার ফলে ব্যাংকের বিদ্যমান গ্রাহক নেটওয়ার্ক ব্যবহার করে সহজে বীমা সেবা পৌঁছে দেওয়া সম্ভব হচ্ছে। একই সঙ্গে ব্যাংকিং ও বীমা- উভয় খাতেই দক্ষ জনবলের চাহিদা বাড়ছে।

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ব্যাংকাস্যুরেন্সের মাধ্যমে দেশের প্রত্যন্ত অঞ্চলেও বীমা সেবা সম্প্রসারণ করা সম্ভব হবে। এর ফলে নতুন বিক্রয় কর্মকর্তা, সম্পর্ক ব্যবস্থাপক, বীমা পরামর্শক এবং আর্থিক পরিকল্পনাবিদ তৈরির সুযোগ বাড়বে।

বেকারত্ব বীমা নিয়েও বাড়ছে আলোচনা

বাংলাদেশে এখনো পূর্ণাঙ্গ বেকারত্ব বীমা চালু হয়নি। তবে সরকার, আন্তর্জাতিক শ্রম সংস্থা (আইএলও), গবেষণা প্রতিষ্ঠান এবং নীতিনির্ধারকদের মধ্যে এ বিষয়ে আলোচনা বাড়ছে। সাম্প্রতিক বছরগুলোতে সামাজিক সুরক্ষা ব্যবস্থার অংশ হিসেবে বেকারত্ব বীমা চালুর প্রয়োজনীয়তার ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে।

বিশেষজ্ঞদের মতে, সরকার ও বেসরকারি বীমা কোম্পানির যৌথ উদ্যোগে আয় সুরক্ষা বা বেকারত্ব বীমা চালু করা গেলে কর্মহীন মানুষের জন্য একটি নিরাপত্তা বলয় তৈরি হবে। পাশাপাশি পলিসি ব্যবস্থাপনা, দাবি নিষ্পত্তি, ঝুঁকি মূল্যায়ন এবং তথ্য ব্যবস্থাপনার মতো ক্ষেত্রেও নতুন কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি হবে।

বিশ্বব্যাংকের ৬৫ মিলিয়ন ডলারের প্রকল্প

বাংলাদেশের বীমা খাতের আধুনিকায়ন, নিয়ন্ত্রক সক্ষমতা বৃদ্ধি, প্রযুক্তির ব্যবহার সম্প্রসারণ এবং বীমা সেবার আওতা বাড়ানোর লক্ষ্যে বিশ্বব্যাংকের সহায়তায় ৬৫ মিলিয়ন ডলারের বাংলাদেশ ইন্স্যুরেন্স সেক্টর ডেভেলপমেন্ট প্রজেক্ট বাস্তবায়ন করা হচ্ছে। প্রকল্পটির অন্যতম লক্ষ্য হলো বীমা সেবার বিস্তার, আর্থিক সুরক্ষা বৃদ্ধি এবং খাতটির প্রাতিষ্ঠানিক সক্ষমতা উন্নয়ন।

বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, এই প্রকল্প সফলভাবে বাস্তবায়িত হলে ডিজিটাল সেবা, তথ্য ব্যবস্থাপনা, সাইবার নিরাপত্তা, পলিসি প্রশাসন, ঝুঁকি বিশ্লেষণ এবং গ্রাহকসেবাসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে দক্ষ জনবলের চাহিদা বাড়বে। ফলে নতুন কর্মসংস্থানও সৃষ্টি হবে।

অর্থনীতিতে বীমা খাতের অবদান

অর্থনীতিবিদদের মতে, একটি শক্তিশালী বীমা খাত শুধু ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের ঝুঁকি কমায় না, বরং দীর্ঘমেয়াদি বিনিয়োগের জন্য তহবিলও গড়ে তোলে। এসব তহবিল অবকাঠামো, শিল্প, জ্বালানি, আবাসন এবং পুঁজিবাজারে বিনিয়োগ করা যায়। এর ফলে নতুন ব্যবসা, নতুন বিনিয়োগ এবং নতুন কর্মসংস্থান সৃষ্টি হয়।

একই সঙ্গে বীমা ব্যবস্থা শক্তিশালী হলে ব্যবসা প্রতিষ্ঠান, কৃষক এবং ক্ষুদ্র উদ্যোক্তারা ঝুঁকি মোকাবিলায় আরও সক্ষম হন। এতে বিনিয়োগ বাড়ে, ব্যবসা সম্প্রসারিত হয় এবং সামগ্রিক অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডে গতি আসে।

সামনে বিশাল সুযোগ, তবে চ্যালেঞ্জও কম নয়

খাতসংশ্লিষ্টদের মতে, বীমা খাতকে কর্মসংস্থান সৃষ্টির কার্যকর মাধ্যম হিসেবে গড়ে তুলতে হলে সুশাসন, স্বচ্ছতা, দ্রুত দাবি নিষ্পত্তি, প্রযুক্তিনির্ভর সেবা এবং জনসচেতনতা বৃদ্ধি জরুরি। একই সঙ্গে দক্ষ মানবসম্পদ তৈরি এবং কর্মীদের জন্য প্রতিযোগিতামূলক পারিশ্রমিক নিশ্চিত করতে হবে।

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, বর্তমানে যেখানে বাংলাদেশের বীমা অনুপ্রবেশ হার মাত্র ০.৫ শতাংশ, সেখানে এটি যদি আঞ্চলিক গড়ের কাছাকাছি পর্যায়ে উন্নীত করা যায়, তাহলে লাখো নতুন কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি হতে পারে। প্রয়োজনীয় সংস্কার, সুশাসন এবং প্রযুক্তিনির্ভর সম্প্রসারণ নিশ্চিত করা গেলে আগামী দশকে বীমা খাত শুধু আর্থিক সুরক্ষার মাধ্যমই নয়, বাংলাদেশের বিপুলসংখ্যক তরুণের কর্মসংস্থানের নতুন ঠিকানায় পরিণত হতে পারে। একই সঙ্গে এটি দেশের বেকারত্ব কমানো, কৃষকের ঝুঁকি হ্রাস, সামাজিক সুরক্ষা জোরদার এবং অন্তর্ভুক্তিমূলক অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি অর্জনের অন্যতম চালিকাশক্তি হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হতে পারে।