গাড়ির বীমা আছে কিন্তু জীবনের নেই: শেলীনা আফরোজা

প্রকাশিত: ২৮ মার্চ ২০১৯, ০৪:১৩ পিএম

বাংলাদেশের আইনে গাড়ির বীমা করা বাধ্যতামূলক থাকলেও চালকের জীবন বীমা করার কোন বাধ্যবাধকতা নেই। যেন জীবনের চেয়ে গাড়ির মূল্য বেশি। -এমনই মন্তব্য করলেন রাষ্ট্রীয় মালিকানাধীন জীবন বীমা করপোরেশন (জেবিসি)’র চেয়ারম্যান ও সাবেক সচিব ড.

নিজস্ব প্রতিবেদক: বাংলাদেশের আইনে গাড়ির বীমা করা বাধ্যতামূলক থাকলেও চালকের জীবন বীমা করার কোন বাধ্যবাধকতা নেই। যেন জীবনের চেয়ে গাড়ির মূল্য বেশি। -এমনই মন্তব্য করলেন রাষ্ট্রীয় মালিকানাধীন জীবন বীমা করপোরেশন (জেবিসি)’র চেয়ারম্যান ও সাবেক সচিব ড. শেলীনা আফরোজা।

আজ বৃহস্পতিবার বাংলাদেশ ইনস্টিটিউট ফর প্রফেশনাল ডেভেলপমেন্ট (বিআইপিডি) ও বাংলাদেশ ইন্স্যুরেন্স একাডেমি (বিআইএ) আয়োজিত সেমিনারে তিনি এ মন্তব্য করেন। সেমিনারের আলোচ্য বিষয় “কীভাবে বীমা শিল্পের ভাবমূর্তি বাড়ানো যায়”। দেশি-বিদেশি আলোচকরা এ সেমিনারে অংশ নেন।

বীমার গুরুত্ব তুলে ধরে ড. শেলীনা বলেন, বীমাখাতে পেশাদার কর্মীর অভাব রয়েছে। তারা বীমার সঠিক চিত্র গ্রাহকের সামনে তুলে ধরে না। বীমা গ্রাহকরাও এ ব্যাপারে সচেতন নয়। তাই বীমাখাতে পেশাদার লোক নিয়োগ করতে হবে এবং যারা এখাতের সঙ্গে জড়িত তাদের শিক্ষিত করতে হবে। একইসঙ্গে বীমা সম্পর্কে জনসচেতনতা তৈরি করতে হবে।  

সরকার ও নিয়ন্ত্রক সংস্থার উদ্দেশ্যে জেবিসি’র চেয়ারম্যান বলেন, বীমা দাবি পরিশোধ নিয়ে অভিযোগ রয়েছে। এ অবস্থা থেকে আমাদের বেরিয়ে আসতে হবে। এ জন্য প্রয়োজনে ২০২০ সালকে বীমা দাবি পরিশোধের বছর হিসেবে গ্রহণ করা যেতে পারে। যারা বেশি বীমা দাবি পরিশোধ করবে তাদের প্রধানমন্ত্রী অ্যাওয়ার্ড দেয়া যেতে পারে।

মাইক্রোক্রেডিট রেগুলেটরি অথরিটি’র অনুমোদন নিয়ে ক্ষুদ্রঋণ প্রতিষ্ঠানগুলো যে বীমা পরিচালনা করে আসছে তা বন্ধের আহবান জানান ড. শেলীনা আফরোজা। তিনি বলেন, এ ধরনের বীমার কোন ভিত্তি নেই। এটা বন্ধ করতে হবে। প্রয়োজনে আমাদেরকে আদালতে যাওয়া উচিত।

মন্তব্য সমূহ ()

আপনার একটি মন্তব্য লিখুন:

এখনো কোনো মন্তব্য করা হয়নি।