পুনর্বীমা চুক্তি নবায়নে বকেয়া প্রিমিয়ামের ৩০% পরিশোধের বাধ্যবাধকতা আরোপ এসবিসি’র

নিজস্ব প্রতিবেদক: বীমা আইন অনুসারে নন-লাইফ বীমা কোম্পানিগুলোর পুনর্বীমা করার বাধ্যবাধকতা রয়েছে। অপরদিকে বীমা করপোরেশন আইন অনুসারে পুনর্বীমাযোগ্য প্রিমিয়ামের ৫০ শতাংশ সাধারণ বীমা করপোরেশনে পুনর্বীমা করার আইনী বাধ্যবাধকতা রয়েছে।
ফলে প্রতি বছরই সাধারণ বীমা করপোরেশনের সাথে বেসরকারি বীমা কোম্পানিগুলোর পুনর্বীমা চুক্তি করতে হয়।
এবারের পুনর্বীমা চুক্তি নবায়নের জন্য পূর্বের বকেয়া পুনর্বীমা প্রিমিয়ামের ৩০ শতাংশ পরিশোধের বাধ্যবাধকতা আরোপ করেছে সাধারণ বীমা করপোরেশন (এসবিসি) । অর্থাৎ এই বকেয়া পরিশোধ করলে তারা বেসরকারি কোম্পানিগুলোর সাথে পুনর্বীমা চুক্তি করবে; অন্যথায় তারা পুনর্বীমা চুক্তি করবে না।
এ ছাড়াও মেরিন কার্গো পলিসিতে প্রতিমাসে বর্ডো সাবমিট করার বাধ্যবাধকতা আরোপ করেছে এসবিসি।
অন্যদিকে বেসরকারি বীমা কোম্পানিগুলোর মালিকদের সংগঠন বাংলাদেশ ইন্স্যুরেন্স এসোসিয়েশন (বিআইএ) বলছে, বর্তমান ডলার সংকট, যুদ্ধের প্রভাব এবং তারল্য সংকটের কারণে অনেক কোম্পানির পক্ষেই তাৎক্ষণিকভাবে বকেয়া পরিশোধ করা সম্ভব হচ্ছে না।
এ অবস্থায় সাধারণ বীমা করপোরেশনের কাছে যেসব কোম্পানি পুনর্বীমা দাবির অর্থ পাওনা রয়েছে, তাদের ক্ষেত্রে পুনর্বীমা প্রিমিয়ামের অর্থ না নিয়ে পুনর্বীমা চুক্তি সম্পন্ন করার আহবান জানিয়েছে বিআইএ।
এছাড়াও পুনর্বীমা চুক্তি সম্পন্ন করার তারিখ আরও এক মাস বৃদ্ধি করার দাবি জানানো হয়েছে। একইসঙ্গে আলোচনা করে এ বিষয়ে সুষ্ঠু সমাধানের অনুরোধ করেছে বীমা মালিকদের সংগঠন বিআইএ।
নন-লাইফ টেকনিক্যাল সাব-কমিটির সভা ডেকেছে বিআইএ
পুনর্বীমা চুক্তি নবায়ন নিয়ে উদ্ভূত এই সংকট নিরসনে নন-লাইফ টেকনিক্যাল সাব-কমিটির সভা আহবান করেছে বিআইএ। আগামী সোমবার (৬ এপ্রিল) সকাল ১১টায় বিআইএ’র কনফারেন্স রুমে এই সভা অনুষ্ঠিত হবে।
সভায় বিআইএ প্রেসিডেন্ট সাঈদ আহমেদ উপস্থিত থাকবেন। মূলত এসবিসি’র সাথে আলোচনার আগে কোম্পানিগুলোর অভিন্ন অবস্থান নিশ্চিত করতেই এই টেকনিক্যাল কমিটির সভা ডাকা হয়েছে বলে জানা গেছে।



