জিডিপিতে বীমাখাতের অবদান বাড়াতে হবে: গকুল চাঁদ দাস
নিজস্ব প্রতিবেদক: জিডিপিতে আমরা এখনো ১ শতাংশও অবদান রাখতে পারিনি। অথচ পার্শ্ববর্তী দেশ ভারতে জিডিপিতে বীমাখাতের অবদান ৪ শতাংশ। তাই আমাদের প্রধান লক্ষ্য হওয়া উচিত জিডিপিতে বীমাখাতের অবদান বাড়ানো। আর এ জন্য প্রয়োজন বীমার প্রতি সাধারণ মানুষের আস্থা তৈরি করা। নতুন নতুন প্রডাক্ট তৈরি, দক্ষ জনবল সৃষ্টি ও গ্রাহক সেবার মান বাড়ানোর মাধ্যমেই আমাদের আস্থা তৈরি করতে হবে।
আজ সোমবার বিকালে ইনস্টিটিউশন অব ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ার্সে পপুলার লাইফের দাবি পরিশোধে আয়োজিত এক সভায় বিশেষ অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন আইডিআরএ'র সদস্য গকুল চাঁদ দাস।
তিনি বলেন, সব মানুষের ঝুঁকির মধ্যে থাকে। আর এ ঝুঁকির কভারেজ দেয় বীমা। এটা বৈজ্ঞানিক সত্য। বীমা একটি চুক্তি। এটি পরিচালিত হয় চুক্তি আইন বলেন। তাই কোনো কোম্পানি গ্রাহকদের সাথে চুক্তি ভঙ্গ করলে তার আইনগত সমাধান আছে। এ বিষয়ে কোম্পানিগুলোর যেমন গাফলতি রয়েছে। তেমনি আমাদেরও সচেতনতার অভাব রয়েছে।
তিনি বলেন, সামাজিক খাতে বীমার অবদান বাড়াতে হবে। বিশেষ করে মহিলাদের বীমায় বেশি করে সম্পৃক্ত করতে হবে। মহিলাদের জন্য নতুন প্রডাক্ট চালু করতে হবে। এক্ষেত্রে পারিবারিক বীমা, মাতৃত্ব বীমা চালু করার আহবান জানান তিনি।
সরকার আইডিআরএ গঠন করেছে এ খাতের উন্নয়নের জন্য। এ কারণে আমরা উন্নয়নকেই অগ্রাধিকার দেব। বীমাখাতে এজেন্টদের ভূমিকা খুবই গুরত্বপূর্ণ। এ দিকটি সামনে রেখে এজেন্টদের জন্য তিন দিনের প্রশিক্ষণ বাধ্যতামূলক করা হয়েছে। এছাড়া এজেন্টদের মান উন্নয়নে আমার একটি প্রবিধান প্রণয়নের কাজ শুরু করেছি। এখানে এজেন্টদের যোগ্যতা, এজন্টদের আচরণ অন্যান্য শর্তাবলী আরোপ করা হবে। এ প্রবিধান প্রণয়নের কাজ আগামী এক বছরের মধ্যেই সম্পন্ন হবে বলেও জানান তিনি।
তবে এজেন্টদের দক্ষতা ও মান বাড়াতে বীমা কোম্পানিগুলোর গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকার কথা উল্লেখ করেন তিনি।
বীমাখাতের নিয়ন্ত্রণের বিষয়ে তিনি বলেন, আগামী মাস (অক্টোবর) থেকে আইডিআরএ বীমা কোম্পানিগুলো পরিদর্শন করবে। এর উদ্দেশ্য কোম্পানিগুলোর ভুলভ্রান্তি দূর করা যাতে কোম্পানিগুলো আরো উন্নয়ন করতে পারে। তবে এই পরিদর্শন তাদের উন্নয়ন প্রচেষ্টায় প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করবে না। বীমা উন্নয়ন ও নিয়ন্ত্রণ কর্তৃপক্ষের নামের মধ্যেই রয়েছে আগে উন্নয়ন, পরে নিয়ন্ত্রণ। তবে নিয়ন্ত্রণ করবে না এমনটি নয়।