বীমা খাতেও তিন দিনের রাষ্ট্রীয় শোক ও সাধারণ ছুটি পালনের নির্দেশনা

নিজস্ব প্রতিবেদক: রাষ্ট্রীয় সিদ্ধান্ত অনুযায়ী দেশে তিন দিনের রাষ্ট্রীয়ভাবে শোক পালন এবং ৩১ ডিসেম্বর ২০২৫ (বুধবার) নির্বাহী আদেশে সাধারণ ছুটি ঘোষণার বিষয়টি আনুষ্ঠানিকভাবে জানিয়ে সংশ্লিষ্ট দপ্তরগুলোতে প্রজ্ঞাপন প্রেরণ করা হয়েছে। এ সিদ্ধান্ত বাস্তবায়নে মন্ত্রীপরিষদ বিভাগ ও জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় পৃথক প্রজ্ঞাপনের মাধ্যমে দিকনির্দেশনা দিয়েছে। একই সঙ্গে সরকারি নির্দেশনার আলোকে বীমা খাতে সিদ্ধান্তটি কার্যকর করতে বীমা উন্নয়ন ও নিয়ন্ত্রণ কর্তৃপক্ষ (আইডিআরএ) ও সংশ্লিষ্ট জীবন ও সাধারণ বীমা কোম্পানিগুলোর কাছে প্রয়োজনীয় নির্দেশনা পাঠিয়েছে- যাতে খাতভিত্তিক বাস্তবায়নে কোনো বিভ্রান্তি না থাকে এবং রাষ্ট্রীয় সিদ্ধান্ত দ্রুত ও একরূপভাবে প্রয়োগ হয়।

মন্ত্রীপরিষদ বিভাগের প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে, রাষ্ট্রীয়ভাবে শোক পালনকালীন সরকারি কর্মসূচি যথাযথভাবে পালিত হবে এবং রাষ্ট্রীয় মর্যাদা ও শৃঙ্খলা বজায় রেখে সব আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন করতে হবে। সাধারণত রাষ্ট্রীয় শোকের সময় জাতীয় পর্যায়ে নির্ধারিত নিয়ম অনুযায়ী পতাকা অর্ধনমিত রাখা, সরকারি অনুষ্ঠানে প্রয়োজনীয় সংযম ও আনুষ্ঠানিকতা বজায় রাখা এবং নির্ধারিত কর্মসূচিতে অংশগ্রহণের মতো বিষয়গুলো গুরুত্ব পায়। সংশ্লিষ্ট মহলের মতে, রাষ্ট্রীয় শোক পালন কেবল আনুষ্ঠানিক সিদ্ধান্ত নয়; বরং এটি জাতীয় সংহতি, সম্মান ও শোক প্রকাশের একটি রাষ্ট্রীয় প্রতীকী প্রক্রিয়া, যার বাস্তবায়ন রাষ্ট্র ও সমাজ- দুই পর্যায়েই শৃঙ্খলিত আচরণ ও ঐক্য বজায় রাখার বার্তা দেয়।

অন্যদিকে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের প্রজ্ঞাপনে ঘোষণা করা হয়েছে, ৩১ ডিসেম্বর ২০২৫ (বুধবার) নির্বাহী আদেশে সাধারণ ছুটি থাকবে। এর ফলে ওইদিন সরকারি দপ্তর-অফিস বন্ধ থাকবে এবং সরকারি সেবাদানকারী প্রতিষ্ঠানগুলোর স্বাভাবিক কার্যক্রম স্থগিত থাকবে। তবে হাসপাতাল ও জরুরি চিকিৎসাসেবা, আইনশৃঙ্খলা বাহিনী, বিদ্যুৎ-গ্যাস-পানি সরবরাহ, অগ্নিনির্বাপণ, জরুরি পরিবহন ব্যবস্থাপনা ও অন্যান্য অত্যাবশ্যকীয় পরিষেবা- রাষ্ট্রীয় নীতি অনুযায়ী বিশেষ ব্যবস্থায় চালু থাকার সম্ভাবনা রয়েছে। প্রশাসনিকভাবে এ ধরনের ছুটির সময়েও নাগরিক নিরাপত্তা ও জরুরি প্রয়োজন নিশ্চিত করাই সরকারের অগ্রাধিকার হিসেবে বিবেচিত হয়।