জেনিথ ইসলামী লাইফের বার্ষিক সম্মেলন

বীমাখাতের উন্নয়নের মধ্য দিয়েই সমৃদ্ধ হবে দেশের অর্থনীতি

নিজস্ব প্রতিবেদক: বীমাখাতের উন্নয়নের মধ্য দিয়েই সমৃদ্ধ হবে দেশের অর্থনীতি। সে ক্ষেত্রে জেনিথ ইসলামী লাইফ থাকবে অগ্রণী ভূমিকায়। গতকাল শনিবার জেনিথ ইসলামী লাইফ ইন্স্যুরেন্সের বার্ষিক সম্মেলনে এসব কথা বলেন কোম্পানিটির চেয়ারম্যান ও সাবেক সংসদ সদস্য মুক্তিযোদ্ধা ফরিদুন্নাহার লাইলী।

রাজধানীর কাকরাইলে আইডিইবি ভবনে অনুষ্ঠিত সম্মেলনে তিনি আরো বলেন, বীমা পেশা খুবই সম্মানজনক। এ পেশার মাধ্যমে সামাজিক উন্নয়ন ও মানবিক সহায়তাসহ অর্থনৈতিক উন্নয়নে ভূমিকা রাখা যায়। আমি আশা করব জেনথ ইসলামী লাইফের কর্মীরা দেশকে সমৃদ্ধির পথে এগিয়ে নিতে কাজ করবে।

ফরিদুন্নাহার লাইলী বলেন, কর্মীদের বীমা বিষয়ক সর্বোচ্চ প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা আমরা করব। বীমার সঠিক মূল্যায়ণের মাধ্যমে গ্রাহক সেবা নিশ্চিত করাই আমাদের লক্ষ্য। তিনি বলেন, কঠোর পরিশ্রম, অধ্যাবসায়, সততা, মেধা ও দক্ষতাকে কাজে লাগিয়ে আমাদেরকে এগিয়ে যেতে হবে।

সভাপতির বক্তব্যে কোম্পানির মূখ্য নির্বাহী কর্মকর্তা (চলতি দায়িত্ব) ড. এসএম নুরুজ্জামান বলেন, সর্বোচ্চ গ্রাহক সেবাই আমাদের ব্যবসার মূল লক্ষ্য। ঘরে ঘরে বীমাসেবা পৌঁছে দেয়ার মাধ্যমেই আমরা দেশের অর্থনৈতিক উন্নয়নে ভূমিকা রাখব। এটাই আমাদের লক্ষ্য, এটাই আমাদের প্রত্যাশা।

তিনি বলেন, আমাদের কোম্পানিকে যুগোপযোগী ও মানসম্পন্ন আর্থিক প্রতিষ্ঠানে পরিণত করতে আমরা নিরলস পরিশ্রম করে যাচ্ছি। মানসম্পন্ন ব্যবসার দিকে নজর দিয়েছি। দক্ষ ও অভিজ্ঞ ককর্মকর্তা নিয়োগের মাধ্যমে দেশব্যাপী কার্যক্রম ছড়িয়ে দেয়ার উদ্যোগ নিয়েছি। গ্রাহকের আস্থা অর্জনে আমরা দ্রুত যৌক্তিক বীমা দাবি পরিশোধ করছি।

অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন কোম্পানির পরিচালনা পর্ষদের ভাইস চেয়ারম্যান মো. রেজাকুল হায়দার, এক্সিকিউটিভ কমিটির চেয়ারম্যান একেএম বদিউল আলম, পরিচালনা পর্ষদের পরিচালক মো. জামিল আনসারী, শুভানুধ্যায়ী এটিএম এনায়েত উল্লাহ, সংসদ সদস্য মো. আবদুল্লাহ আল-মামুন ও শরীয়াহ বোর্ডের সদস্য সচিব হাফেজ মোহাম্মদ হাফিজুর রহমান।

বার্ষিক সম্মেলনে কোম্পানির জানুয়ারি-অক্টোবর, ২০১৭ এ অর্জিত ব্যবসা প্রতিবেদন উপস্থাপন করেন কোম্পানি সচিব ও মহাব্যবস্থাপক আবদুর রহমান। সম্মেলন পরিচালনা ও উপস্থাপনা করেন ডিএমডি মো. কামরুল ইসলাম ও এসইভিপি মো. সাইফুল ইসলাম। অনুষ্ঠানে কোম্পানিটির ২৪ জন কর্মকর্তাকে ভালো ব্যবসার জন্য পুরস্কৃত করা হয়। বীমা দাবি পরিশোধ ছাড়াও শেষে অনুষ্ঠিত হয় র‌্যাফেল ড্র।

উল্লেখ্য, ২০১৩ সালে প্রতিষ্ঠার পর এ পর্যন্ত ১৬১টি বীমা দাবি বাবদ ৪৮ লাখ ৪৫ হাজার ৮৪৪ টাকা পরিশোধ করেছে জেনিথ ইসলামী লাইফ। বর্তমানে কোম্পানিটির বীমা গ্রাহক সংখ্যা ৩৮ হাজার ৪২৪ জন। দেশজুড়ে কোম্পানিটির ৫২টি অফিস রয়েছে। প্রধান কার্যালয়সহ কোম্পানিটিতে ৯৪ জন প্রশাসনিক কর্মকর্তা রয়েছে।