ইসলামি অর্থনীতির বাস্তবায়নে তাকাফুলের ভূমিকা নিয়ে বেঙ্গল ইসলামি লাইফের বিশেষ সেমিনার
.jpg)
সংবাদ বিজ্ঞপ্তি: বেঙ্গল ইসলামি লাইফ ইন্স্যুরেন্স লিমিটেডের উদ্যোগে অনুষ্ঠিত হয়েছে সমসাময়িক অর্থনীতি ও ইসলামি অর্থনীতির মৌলিক ভাবধারা নিয়ে একটি বিশেষ সেমিনার, যেখানে ইসলামি শরিয়াহ্-ভিত্তিক অর্থব্যবস্থা বাস্তবায়নে বেঙ্গল ইসলামি তাকাফুলের ভূমিকা বিশেষ গুরুত্ব পায়।
আমানাহ্ প্রকল্পের উপ-প্রকল্প প্রধান এইচ. এম. এম. ইলিয়াছ উজ্জামান-এর সভাপতিত্বে মঙ্গলবার (২৫ নভেম্বর) নেত্রকোনা প্রেস ক্লাবে সেমিনারটি আয়োজন করা হয়। সেমিনারে স্থানীয় আলেম-ওলামা, আর্থিক খাতের প্রতিনিধিসহ বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার অতিথিরা অংশ নেয়।
অনুষ্ঠানে প্রধান আলোচক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন রাজধানীর সোবহানবাগ জামে মসজিদের খতিব ও বেঙ্গল ইসলামি ইন্স্যুরেন্স-এর শরিয়াহ্ সুপারভাইজরি বোর্ডের ভাইস চেয়ারম্যান মুফতি শাহ মোহাম্মদ ওয়ালি উল্যাহ্, সিএসএএ। তিনি তার বক্তব্যে প্রচলিত অর্থনীতির সুদনির্ভর কাঠামোর সঙ্গে ইসলামি অর্থনীতির ন্যায়ভিত্তিক ও অংশগ্রহণমূলক দর্শনের মৌলিক পার্থক্য তুলে ধরেন। তিনি ব্যাখ্যা করে বলেন যে, ইসলামি অর্থব্যবস্থা মানুষের আর্থিক কার্যক্রমে নৈতিকতা, সমতা ও স্বচ্ছতা প্রতিষ্ঠায় নিবেদিত এবং তাকাফুল পদ্ধতি সেই উদ্দেশ্য বাস্তবায়নের একটি কার্যকর ও শরিয়াহ্-সম্মত উপায়।
অনুষ্ঠানে বিশেষ আলোচক হিসেবে বক্তব্য রাখেন ইসলামি অর্থনীতিবিদ ও কোম্পানির শরিয়াহ্ সুপারভাইজরি বোর্ডের সদস্য ও মুরাক্বিব মুফতি আব্দুল্লাহ মাসুম, সিএসএএ। তিনি ইসলামি অর্থনীতির অন্তর্নিহিত শক্তি, ঝুঁকি বণ্টনের ন্যায়সঙ্গত পদ্ধতি এবং তাকাফুলের সহযোগিতামূলক কাঠামো নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করেন। তার উপস্থাপনায় উঠে আসে কীভাবে ইসলামি শরিয়াহ্-অনুসৃত আর্থিক ব্যবস্থাপনা আর্থিক নৈতিকতা ও সামাজিক ন্যায়ের ভিত্তিকে আরও দৃঢ় করে।
সেমিনারে গেস্ট অব অনার হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বেঙ্গল ইসলামি লাইফ ইন্স্যুরেন্স'র মুখ্য নির্বাহী কর্মকর্তা এম. এম. মনিরুল আলম। তিনি বলেন, প্রতিষ্ঠানটি শরিয়াহ্-সম্মত আর্থিক সেবা বিস্তারে অঙ্গীকারবদ্ধ এবং সমাজে নৈতিক আর্থিক সচেতনতা বৃদ্ধিতে কাজ করছে।
এছাড়া অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন নেত্রকোনা প্রেস ক্লাবের সাধারণ সম্পাদক মাহবুবুল কিবরিয়া চৌধুরী (হেলিম) এবং আমানাহ্ প্রকল্পের প্রধান মো. মিরাজ ভূইয়া, যারা এ ধরনের উদ্যোগকে সময়োপযোগী ও সামাজিকভাবে গুরুত্বপূর্ণ বলে আখ্যায়িত করেন।




