গাড়ি বীমার প্রিমিয়াম নির্ধারণে মালয়েশিয়ায় নতুন পদ্ধতি
ইন্টারন্যাশনাল ডেস্ক: গাড়ি বীমার প্রিমিয়াম নির্ধারণে নতুন পদ্ধতি চালু করেছে মালয়েশিয়া। ১ জুলাই, ২০১৭ থেকে এটি কার্যকর করা হয়েছে। বাধা-নিষেধ অপসারিত নতুন এই পদ্ধতিতে দেশটির গাড়ি বীমার প্রিমিয়ামে কঠোর প্রতিযোগিতা সৃষ্টি হতে পারে বলে মনে করা হচ্ছে।
ব্যাংক নেগারা মালয়েশিয়ার (বিএনএম) তথ্য অনুসারে, নতুন এই পদ্ধতিতে প্রিমিয়াম নির্ধারণে বেশি ঝুঁকির কারণগুলো বিবেচনা করা হবে। বীমা অংক, ইঞ্জিনের সক্ষমতা, যানবাহন ও চালকের বয়স ছাড়াও অন্যান্য কারণ দ্বারা প্রিমিয়াম নির্ধারিত হতে পারে।
এই কারণগুলোর মধ্যে হতে পারে গাড়িতে নিরাপদ এবং নিরাপত্তা বৈশিষ্ট্য, যতদিন ধরে গাড়িটি রাস্তায় চলাচল করছে, গাড়ির ভৌগোলিক অবস্থান (যেসব এলাকায় গাড়ি চুরির ঘটনা বেশি) এবং নথিপত্রে ট্র্যাফিক আইন লঙ্ঘনের ঘটনাগুলো।
এই বিষয়গুলি পলিসি গ্রাহকের ঝুঁকি প্রোফাইল গ্রুপ নিরূপণ করবে যার ভিত্তিতেই প্রিমিয়াম নির্ধারিত হবে। বিভিন্ন বীমাকারী ও তাকাফুল পরিচালকরা ভিন্ন ভিন্ন পন্থায় গ্রাহকের রিস্ক প্রোফাইল গ্রুপ নিরূপণ করবে। এক্ষেত্রে একই পলিসির প্রিমিয়াম একটি বীমা কোম্পানি থেকে আরেকটি কোম্পানিতে ভিন্ন হবে।
মালয়েশিয়ায় বর্তমানে গাড়ির মডেল ও বীমা অংকের ভিত্তিতে প্রিমিয়াম নির্ধারণ করা হয়। এক্ষেত্রে চালকের বয়স ও তার দুর্ঘটনার সংখ্যা বিবেচনা করা হয়। চালকের বীমা দাবির ইতিহাস এবং নো ক্লেইম ডিসকাউন্ট (এনসিডি) ভিত্তিতে প্রিমিয়াম গণনা করা হয়। সাধারণত যারা খুব ভালোভাবে গাড়ি চালনা করেন তারা এনসিডি’র সর্বোচ্চ সুবিধা তথা ৫৫ শতাংশ পর্যন্ত ছাড় পান।
মালয়েশিয়ার জেনারেল ইনস্যুরেন্স এসোসিয়েশনের চেয়ারম্যান এন্থনি লি বলেন, এটি অসম্ভব যে মোটর বীমাকারীদের ওপর আর্থিক প্রভাবটি গুরুত্বপূর্ণ হবে। কারণ বীমাশিল্পের মূল্য উদারীকরণের প্রচেষ্টাগুলি পর্যায়ক্রমে সম্পন্ন হবে। তবে এটি নিশ্চিত করবে যে বাজারে কোনও অস্থিরতা ঘটবে না।
লি বলেন, মালয়েশিয়া ধীরে ধীরে আরো উন্নত জাতিগোষ্ঠিতে পরিবর্তিত হচ্ছে। তাই প্রিমিয়াম চার্জ করার ক্ষেত্রে দেশের বীমা বাজার আরো ন্যায়সঙ্গত পদ্ধতি চালু করছে। (তথ্য সূত্র: বিএনএম, আইএএন)