দাবি পরিশোধে পদ্মা ইসলামী লাইফের তালবাহানা, ফেসবুকে ক্ষোভ
নিজস্ব প্রতিবেদক: বীমা দাবি পরিশোধে পদ্মা ইসলামী লাইফ ইন্স্যুরেন্স লিমিটেডের তালবাহানার খবর গণমাধ্যমে এলে ক্ষোভের ঢেউ ওঠে সোস্যাল মিডিয়ায়। গ্রাহকদের বীমা দাবি পরিশোধে কোম্পানিটির তালবাহানার বিষয়ে সম্প্রতি ২ মিনিট ২৭ সেকেন্ডের একটি খবর প্রচার করে বেসরকারি টিভি চ্যানেল একাত্তর টেলিভিশন।
ওই সংবাদের ভিডিও ভাইরাল হওয়ার পর শুরু হয় পদ্মা ইসলামী লাইফের বিরুদ্ধে ব্যাপক সমালোচনা। মাত্র ৪১ ঘণ্টার মধ্যে সংবাদটি ৫৫ হাজারের বেশি ভিউ হয় ফেসবুকে। ২ হাজারের বেশি লাইক ও ৫৭১ বার শেয়ার ছাড়াও মন্তব্য হয় ৩৫টি।
একাত্তর টিভি'র ওই খবরে বলা হয়, ১৫৫ জন মৃত পোশাক শ্রমিকের পরিবারকে বীমা দাবি পরিশোধে গড়িমসি করছে পদ্মা ইসলামী লাইফ ইন্সুরেন্স লি:। পাওনা আদায়ে বীমা উন্নয়ন ও নিয়ন্ত্রণ কর্তৃপক্ষ থেকে করে শুরু করে প্রধানমন্ত্রীরও সহায়তা চেয়েছে বীমা গ্রাহক বাংলাদেশ নিটওয়্যার ম্যানুফ্যাকচারার্স অ্যান্ড এক্সপোর্টার্স অ্যাসোসিয়েশন-বিকেএমইএ। হয়েছে মামলাও। তবে টাকা দেয়া তো দূরের কথা, বীমা কোম্পানিটি বলছে, বাড়াবাড়ি করছে শ্রমিকদের পরিবারগুলো এবং বিকেএমইএ।
ফেসবুক আইডি থেকে রফিকুল ইসলাম অরণ্য নামে একজন লিখেছেন "ভাই বীমা প্রতিষ্টান গুলা সবি খারাপ।বিশেষ করে পদ্মা লাইফ ইন্সুরেন্স এর কথা বইলা লাভ নাই হারামিরা অনেক ঝামেলা করে আর বেয়াদব স্টাফ রাখছে বেশির ভাগ মানুষ কে বিভিন্ন ভাবে হয়রানি করে তাইতো আমার পরিচিত জন সবাইকে বীমা কোম্পানি থেকে দুরে থাকার কথা বলি। লাভ নাই লস প্রজেক্ট বীমা করা......"
শফিউল আকবর নামে আরেকজন লিখেছেন, "সালারা ইসলামের নাম ব্যবহার করে মানুষকে দুখা দিচ্ছে ।আমার এক ভাই মাসিক একশ টাকার একটা বীমা করে 12 বছরের জন্য তার সময় পুর্ণ হলে এই কোম্পানি মাসিক একশ টাকার হিসাব দিতে সময় নেই দুই বছর হহহহহহহহহহহ এখন আপনি চিন্তা করেন এই কোম্পানি লাইফ ইন্সুরেন্স হয় কি করে।"
মনির হাসান নামে একজন লিখেছেন, "আমার একটা বীমার মেযা়দ শেষ হয়েছে এক বছর প্রায়; এখন আমার টাকা টা দিচেছ না! করনীয় কি কেউ জানলে বলবেন"।
এর উত্তরে রুবেল ইসলাম হৃদয় জানতে চেয়েছেন, "কোন কোম্পানী????কত করে করছেন? মেয়াদ কত"
জবাবে মনির হাসান জানিছেন, "পদ্মা লাইপ.....১০ বছর .মাসে ৫০০ করে."।
"কম্পা নির নামে কেচ করুন" উপদেশ দিয়েছেন মানুষ মানুষের জন্য ফেসবুক আইডি থেকে।
জগৎ লাল চাকমা লিখেছেন, "বীমাকোম্পানীগুলোর চরম দুর্নীতি ও অসচ্ছতার কারনে সাধারন মানুষ সত্যি অতিস্ট"।
“আমরা সবার কাছ থেকে জুলুমের শিকার হয়েছি..... আই থিকংক ইউ আন্ডার্স্ট্যান্ড হোয়াট আই মিন!!!! এমন মন্তব্য করেছেন এফএম তালহা মোর্শেদ।
রেজা মো. ইসলাম নামে ফেসবুক আইডি থেকে একজন লিখেছেন, "বীমা কোম্পানি গুলো সব ভুয়া। শালারা নিতে জানে দিতে জানে না।"
রিপন বিশ্বাসের মন্তব্য, "এরপরও বীমা করে সবাই!!"
অনিকা জাহান নামে আরেকজন লিখেছেন "তাই নাকি"।
মানুষ মানুষের জন্য নামে ফেসবুক আইডি থেকে একজন লিখেছেন, "বিমা নকরাই ভাল"।
মো. দেলওয়ার হোসাইন লিখেছেন, "এই গুলো হইল বীমা কোম্পানির চিটারী"।
মো. অনয় চৌধুরী লিখেছেন, "সব বিমা কম্পানি গুলি এইরকম বাটপার।"
মোস্তফা মাহবুব লিখেছেন, "এগুলা ভুয়া সব লাইফ ইন্সুরেন্স এর লাইসেঞ্ছ বাতিল করে এদের জেল জরিমানা করা কি যুক্তিযুক্ত নয়"।
মোবারক হোসাইন দাবি করেছেন, "আইনগত ভাবে ব্যবস্থা নেয়া হোক।"
মো. মামুন লিখেছেন, “যতসব ভণ্ডামী। ”
এরপর মো. মিলন নামে একজন কমেন্ট বক্সে জুতাসহ পায়ের ছবি তুলে দিয়েছেন।
“বীমা ফাও “- মন্তব্য করেছেন সাইফুল ইসলাম।
নাছির উদ্দিন লিখেছেন "বাংলাদেশের বিমা কম্পানি হলো ---(অশালিন)"।
মোহাম্মদ মুসুদ রেজা লিখেছেন, "পদ্মা লাইফকে জুতা মারা দরকার ।"
মোহাম্মদ আলী নামে ফেসবুক আইডি থেকে একজন মন্তব্য করেছেন, একাত্তর টিভির জার্নালিস্ট মো. রোকন জার্নালিস্ট এর কু-কীর্তি।
মো. হায়দার আলী খান লিখেছেন, " সবে সম্ভব রে পাগলা"।
মো. রেজা নামে একজন লিখেছেন, "পদদা আমাদেরও হইরানি করছে ২০১৪ এর পর ২০১৭ আজ কাল সুদু হছছে"।
হাসান মাহমুদ মন্তব্য করেছেন,"বীমা ভুয়া"।
রুম্মান আকন্দ লিখেছেন, “ফালতু কোম্পানি।”
সাকিউল ইসলাম নামে আরেক জন লিখেছেন, "যতসব ভন্ডা প্রতিষ্ঠান।"
এই বক্তব্যে সম্মতি জানিয়েছেন, শায়েখ মিয়া ও মো. মানিক।
অনেক আইডি থেকে বীমা কোম্পানিটিকে উদ্দেশ করে মর্যাদাহানিকর মন্তব্য এবং ছবি তুলে দিয়েছেন।