দাবী পরিশোধে গাফিলতি হলে কঠোর ব্যবস্থা: গকুল চাঁদ দাস

নিজস্ব প্রতিবেদক: বীমা দাবী পরিশোধে অনিয়ম হলে কঠোর ব্যবস্থা নেবে বীমা উন্নয়ন ও নিয়ন্ত্রণ কর্তৃপক্ষ (আইডিআরএ)।
গাফিলতির প্রমান পেলে কোন ছাড় নয়, সংশ্লিষ্ট কোম্পানির বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেয়া হবে। বীমাদাবী পরিশোধ একটি স্পর্শকাতর ইস্যু। এ নিয়ে অনিয়ম বীমাখাতের প্রতি জনমানুষের অনাস্থা সৃষ্টি করে। নিয়ন্ত্রক সংস্থা এ বিষয়ে সজাগ। বীমাখাতের উন্নয়নের স্বার্থে জনআস্থা ধরে রাখতেই দাবী পরিশোধে স্বচ্ছতা আনতে কঠোর হচ্ছে আইডিআরএ।
বীমা দাবী পরিশোধে অনিয়মের ক্রমবর্ধমান অভিযোগ ওঠার প্রেক্ষিতে ইন্স্যুরেন্সনিউজবিডি’র কাছে নিয়ন্ত্রক সংস্থার অবস্থান তুলে ধরেন সংস্থাটির চেয়ারম্যান (চলতি দায়িত্ব) গকুল চাঁদ দাস।
তিনি বলেন, গ্রাহকের দাবী পরিশোধ নিয়ে কিছু কোম্পানির স্বেচ্ছাচারিতা নিয়ে অভিযোগ উঠছে। গণমাধ্যমেও প্রতিবেদন আসছে। এ নিয়ে দেশের কয়েক জেলায় ফৌজদারি মামলা হয়েছে। আদালতও বিষয়টা গুরুত্ব দিয়ে আদেশ দিচ্ছেন।
নিয়ন্ত্রণ কর্তৃপক্ষ এ অবস্থায় হাত গুটিয়ে বসে থাকতে পারে না। বীমাখাত রক্ষা এবং এ খাতের উন্নয়নের জন্যই দায়িত্ব নিতে হচ্ছে নিয়ন্ত্রণ কর্তৃপক্ষকে, বললেন তিনি।
দাবী আদায়ে স্বেচ্ছাচারিতা প্রমাণ হলে জরিমানা বা কোম্পানির পরিচালনা পর্ষদ ভেঙে দিয়ে প্রশাসক নিয়োগ এমনকি লাইসেন্স স্থগিত হতে পারে, জানালেন সংস্থাটির চেয়ারম্যান।
তিনি আরো বলেন, গ্রাহকের দাবী পরিশোধে আরো আন্তরিকতা ও স্বচ্ছতা দেখাতে হবে কোম্পানিগুলোকে।
দাবী না পেলে বা এ নিয়ে ঝামেলা করলে গ্রাহক বীমার প্রতি আগ্রহ হারাবে। তারা আর কোন কোম্পানির পলিসি কিনবে না। এতে ক্ষতি হবে বীমা শিল্পের। কোম্পানিগুলোর ব্যবসা এমনকি অস্তিত্ব সংকট দেখা দেবে।
কোম্পানির অনিয়মের কারণে আর্থিক খাতের গুরুত্বপূর্ণ অংশীদার বীমা শিল্পের ক্ষতি হোক তা সহ্য করবে না আইডিআরএ।
উল্লেখ্য, বীমাদাবি পরিশোধ না করার অভিযোগে দেশের বিভিন্ন জেলায় কয়েকটি কোম্পানির বিরুদ্ধে ফৌজদারি মামলা হয়। মূখ্য নির্বাহীসহ উচ্চপর্যায়ের কর্মকর্তাদের এমনকি চেয়ারম্যানকেও আসামি করা হয়।