মালয়েশিয়ার সানওয়ে মেডিকেল সেন্টারের সাথে শান্তা লাইফের সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষর

সংবাদ বিজ্ঞপ্তি: গ্রাহকদের জন্য আন্তর্জাতিক মানের স্বাস্থ্যসেবা সুবিধা সম্প্রসারণের লক্ষ্যে মালয়েশিয়ার বিখ্যাত স্বাস্থ্যসেবা প্রতিষ্ঠান সানওয়ে মেডিকেল সেন্টারের সঙ্গে একটি সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষর করেছে শান্তা লাইফ ইন্স্যুরেন্স পিএলসি। সম্প্রতি ঢাকায় বীমা কোম্পানিটির প্রধান কার্যালয়ে এই সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরিত হয়।
এই অংশীদারিত্বের আওতায়, শান্তা লাইফের গ্রাহকেরা মালয়েশিয়ায় চিকিৎসা গ্রহণের ক্ষেত্রে উন্নততর সেবা ও বিশেষ ডিসকাউন্ট সুবিধা পাবেন। চিকিৎসা সংক্রান্ত সমন্বয়ের জন্য তারা বাংলাদেশে সানওয়ে মেডিকেলের প্রতিনিধি প্রতিষ্ঠান জেজি হেলথকেয়ার লিমিটেডের মাধ্যমে যোগাযোগ করতে পারবেন।
স্বারক স্বাক্ষর অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন শান্তা লাইফ ইন্স্যুরেন্স পিএলসি’র মুখ্য নির্বাহী কর্মকর্তা নাফিস এ আহমেদ এবং সানওয়ে মেডিকেল’র ইন্টারন্যাশনাল বিজনেস ডেভেলপমেন্ট ম্যানেজার কিম ওয়েই ই। অনুষ্ঠানে আরোও উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ জেজি হেলথকেয়ার লিমিটেডের সিইও তারেক আবদুল্লাহ।
এছাড়াও উভয় প্রতিষ্ঠানের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণ করেন।
উল্লেখ্য, বাংলাদেশি কোনো বীমা প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে সানওয়ে মেডিকেল সেন্টারের এটি প্রথম আনুষ্ঠানিক অংশীদারিত্ব, যা আন্তর্জাতিক খ্যাতিসম্পন্ন এই স্বাস্থ্যসেবা প্রতিষ্ঠানের শান্তা লাইফের ব্র্যান্ড শক্তি, সেবার মান এবং দীর্ঘমেয়াদি ভিশনের প্রতি আস্থার প্রতিফলন হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।
অনুষ্ঠানে বক্তারা বলেন, আধুনিক জীবন বীমা শুধু আর্থিক সুরক্ষার মধ্যেই সীমাবদ্ধ নয়; বরং গ্রাহকের সার্বিক কল্যাণ ও জীবনমান উন্নয়নের সঙ্গেও গভীরভাবে সম্পৃক্ত। সেই লক্ষ্য থেকেই শান্তা লাইফ ইন্স্যুরেন্স গ্রাহকদের জন্য অতিরিক্ত মূল্য সংযোজনকারী সেবা ও সুবিধা সম্প্রসারণে কাজ করে যাচ্ছে।
অনুষ্ঠানে জানানো হয়, গ্রাহকসেবাকে কেবল বীমা কাভারেজের মধ্যে সীমাবদ্ধ না রেখে আরও বড় পরিসরে নিয়ে যাওয়াই শান্তা লাইফ ইন্স্যুরেন্সের কৌশলগত অঙ্গীকার। প্রতিষ্ঠার পর থেকে কোম্পানিটি ৯৯% বীমা দাবি নিষ্পত্তির হার বজায় রেখেছে এবং মাত্র ৫ কার্যদিবসের মধ্যে বীমা দাবি নিষ্পত্তির মাধ্যমে গ্রাহক আস্থার নতুন মানদণ্ড তৈরি করেছে।
এই সমঝোতা স্মারক শান্তা লাইফ ইন্স্যুরেন্সের গ্রাহককেন্দ্রিক উদ্যোগকে আরও শক্তিশালী করবে এবং আন্তর্জাতিক মানের স্বাস্থ্যসেবা সুবিধার সঙ্গে গ্রাহকদের সংযুক্ত করার ক্ষেত্রে একটি গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক হিসেবে বিবেচিত হবে বলে বক্তারা আশাপ্রকাশ করেন।



