সেন্টাল ইন্স্যুরেন্সের ঘোষিত লভ্যাংশ অনুমোদন
নিজস্ব প্রতিবেদক: ২০১৬ সমাপ্ত বছরে বিনিয়োগকারীদের জন্য ৭ শতাংশ নগদ এবং ৫ শতাংশ স্টকসহ মোট ১২ শতাংশ লভ্যাংশ অনুমোদন দিয়েছে বেসরকারি ননলাইফ বীমা কোম্পানি সেন্টাল ইন্স্যুরেন্সের পরিচালনা পর্ষদ। ৩১ ডিসেম্বর ২০১৬ সমাপ্ত হিসাব বছরের নিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন পর্যালোচনা করে কোম্পানিটি ৭ শতাংশ নগদ এবং ৫ শতাংশ স্টক লভ্যাংশের সুপারিশ করেছিল। ঘোষিত লভ্যাংশ বিনিয়োগকারীদের সম্মতিক্রমে অনুমোদনের জন্য আজ ১ জুন বেলা ১১টায় রাজধানী ঢাকার ফার্মগেট কৃষি খামার সড়ক, বাংলাদেশ কৃষিবিদ ইনস্টিটিউশনের অডিটোরিয়াম হলে বার্ষিক সাধারণ সভা (এজিএম) অনুষ্ঠিত হয়েছে। ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই) সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।
২০১৬ অর্থবছরে কোম্পানিটির শেয়ারপ্রতি আয় (ইপিএস) হয়েছে ১ টাকা ৭২ পয়সা, গত বছরে যার পরিমাণ ছিল ১ টাকা ৫৪ পয়সা। অর্থাৎ গত বছরের তুলণায় সমাপ্ত বছরে কোম্পানিটির শেয়ার প্রতি আয় বেড়েছে ১৮ পয়সা। শতকরা হিসেবে যার পরিমাণ ১১ দশমিক ৬৯ শতাংশ। একইভাবে কোম্পানিটির ২০১৪ সালে ইপিএস এর পরিমাণ ছিল ২ টাকা ২১ পয়সা।
সমাপ্ত বছরে কোম্পানিটির শেয়ারপ্রতি সম্পদ মূল্য (এনএভিপিএস) দাঁড়িয়েছে ২২ টাকা ৮৩ পয়সা, গত বছরে যার পরিমাণ ছিল ২২ টাকা ১০ পয়সা। অর্থাৎ গত বছরের তুলণায় সমাপ্ত বছরে কোম্পানিটির শেয়ার প্রতি সম্পদ বেড়েছে ৭৩ পয়সা। শতকরা হিসেবে যার পরিমাণ ৩ দশমিক ৩০ শতাংশ। একইভাবে কোম্পানিটির ২০১৪ সালে শেয়ারপ্রতি সম্পদের পরিমাণ ছিল ২১.২১ টাকা। এবং গত এক বছরে কোম্পানিটির শেয়ারের মূল্য সীমা ছিল সর্বনিম্ন ১৪ টাকা এবং সর্বচ্চ ২৬ টাকা ৫০ পয়সার।
সমাপ্ত বছরে কোম্পানিটির শেয়ার প্রতি কার্যকরি নগদ প্রবাহের পরিমাণ (এনওসিএফপিএস) দাঁড়িয়েছে ৯০ পয়সা, গত বছরে যার পরিমাণ ছিল ১ টাকা ১৮ পয়সা। অর্থাৎ গত বছরের তুলণায় সমাপ্ত বছরে কোম্পানিটির শেয়ার প্রতি কার্যকরি নগদ প্রবাহ কমেছে ২৮ পয়সা। শতকরা হিসেবে যার পরিমাণ ২৩ দশমিক ৭৩ শতাংশ।
কোম্পাানিটির মোট ৪ কোটি ৪৮ লাখ ৪০ হাজার ৮৫৭টি শেয়ারের মধ্যে পরিচালকদের কাছে রয়েছে ১ কোটি ৯৯ লাখ ২২ হাজার ৭৯২টি বা ৪৪.৪৩ শতাংশ, সরকারের রয়েছে ৪৭ লাখ৬৬ হাজার ৫৮৩টি বা ১০.৬৩ শতাংশ, প্রতিষ্ঠানের রয়েছে ৪৪ লাখ ৮৪ হাজার ৮৫টি বা ১০ শতাংশ এবং সাধারণ জনগণের রয়েছে ১ কোটি ৫৬ লাখ ৬৭ হাজার ৩৯৫টি শেয়ার বা ৩৪.৯৪ শতাংশ।
সমাপ্ত বছরে কোম্পানিটির কর পরবর্তি মুনাফা ১২ কোটি ৪ লাখ ৯০ হাজার টাকা, গত বছর যার পরিমাণ ছিল ১২ কোটি ৪৩ লাখ টাকা এবং ২০১৪ সালে যার পরিমাণ ছিল ১১ কোটি ৬৬ লাখ ৪০ হাজার টাকা। একইভাবে ২০১৬ সালের ৩য় প্রান্তিকে এসে কোম্পানিটির মোট কম্প্রিহেন্সিভ আয় ছিল ৬ কোটি ৯১ লাখ ৮০ হাজার টাকা।
৩য় প্রান্তিকে কোম্পানিটির নীট সম্পদের পরিমাণ ছিল ১০১ কোটি ৫৫ লাখ ৩৪ হাজার টাকা গত বছর একই সময়ে যার পরিমাণ ছিল ৯৮ কোটি ৯৯ লাখ ৯৮ হাজার টাকা।
৩১ ডিসেম্বর ২০১৬ সমাপ্ত হিসাববছরের নিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন পর্যালোচনা করে কোম্পানিটি ৭ শতাংশ নগদ এবং ৫ শতাংশ স্টকসহ মোট ১২ শতাংশ লভ্যাংশ ঘোষণা করেছে। একইভাবে ২০১৫ সালে কোম্পানিটির লভ্যাংশের পরিমাণ ছিল ১০ শতাংশ নগদ লভ্যাংশ, ২০১৩ সালে ছিল ৮ শতাংশ বোনাস, ২০১২ সালে ছিল ১২ শতাংশ বোনাস, এবং ২০১১ সালে ছিল ১৫ শতাংশ বোনাস লভ্যাংশ ।