গবাদি পশুর বীমা চালু করছে মিয়ানমার

ইন্টারন্যাশনাল ডেস্ক: দীর্ঘ ৩০ বছর পর আবারও গবাদি পশুর বীমা চালু করতে যাচ্ছে মিয়ানমার। চলতি বছরের শেষ নাগাদ এ পলিসি চালু করা হবে। মিয়ানমা ইন্স্যুরেন্স এর ব্যবস্থাপনা পরিচালক দাউ সান্ডার ও স্থানীয় সংবাদমাধ্যম মিয়ানমার টাইমসকে এ তথ্য জানিয়েছেন। এরআগে ১৯৮৩ সালে লাইভস্ট ইন্স্যুরেন্স চালু করেছিল মিয়ানমা ইন্স্যুরেন্স।

এবারের পাইলট প্রকল্পটি চালু করতে রাষ্ট্রীয় মালিকানাধীন বীমা প্রতিষ্ঠান মিয়ানমা ইন্স্যুরেন্সকে সহযোগিতা করছে এগ্রিকালচার, লাইভস্ট এন্ড ইরিগেশন (এমওএএলআই) মন্ত্রণালয়ের আওতাধীন লাইভস্টক ব্রিডিং এন্ড ভেটেনারি বিভাগ, সিঙ্গাপুর ভিত্তিক ইনফোকরপ টেকনোলজিস এবং মিয়ানমার'স আরজিকে+জেডএন্ডএ গ্রুপ।

আরজিকে+জেডএন্ডএ গ্রুপ'র সিইও ইউ জেইয়া মোন জানিয়েছেন, বীমার আবেদন প্রক্রিয়ায় এবার গবাদি পশুর নিবন্ধনের বিষয়টি জড়িত থাকছে। প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠান ইনফোকরপ টেকনোলজির টেম্পার-প্রুফ লাইভস্ট আইডেন্টিফিকেশন ট্যাগিং প্রযুক্তি ব্যবহার করে এ নিবন্ধন করা হবে। প্রতিটি পশুর সঙ্গে ডিজিটাল চিপ লাগানো থাকবে। চিপের কর্মকাণ্ডে শক্তি, স্বাস্থ্যসেবা, শিল্প এবং পরিবেশ গুরুত্ব পাবে।

প্রতিটি পশুর নিবন্ধন ফি প্রাথমিকভাবে নির্ধারণ করা হয়েছে প্রায় ২ মার্কিন ডলার। এ ছাড়াও প্রিমিয়াম হার নির্ধারণ করা হয়েছে গবাদি পশুর মূল্যের ১ শতাংশ। এই গবাদি পশু বীমার বিধিবিধানের একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ হচ্ছে প্রযুক্তি ব্যবহার করে পশুর নিবন্ধন।

এরআগে ১৯৮৩ সালে যখন লাইভস্টক বীমা চালু করা হয়েছিল তখন গবাদি পশু চিহ্নিত করতে প্রযুক্তি ব্যবহার করা হয়নি। যার কারণে কোন পশু বীমাকৃত এবং কোনটি বীমাকৃত নয় তা বোঝা যেত না। তাই পলিসিটি বিক্রি বন্ধ করতে বাধ্য হয় মিয়ানমার সরকার।

লাইফ ও নন-লাইফ বীমা সেবাদানকারী মিয়ানমা ইন্স্যুরেন্স বর্তমানে লাইভস্টক পলিসির খসড়া প্রস্তুত করছে। একই সঙ্গে পশুর মৃত্যুতে বা রোগাক্রান্ত হলে কিভাবে তার ক্ষতিপূরণ প্রদান করা হবে সে বিষয়টি নিয়েও কাজ চলছে। পলিসির প্রিমিয়াম এখনো ঘোষণা করা হয়নি।

উল্লেখ্য, সরকারি তথ্য অনুসারে বর্তমানে মিয়ানমারে ১১.৫ মিলিয়ন পশু রয়েছে।