গ্রাহকসেবা বাড়াতে স্বাস্থ্য বীমায় ৩ পরিবর্তন আনছে ভারত
ইন্টারন্যাশনাল ডেস্ক: গ্রাহকসেবা বাড়াতে স্বাস্থ্য বীমা পলিসিতে ৩টি পরিবর্তন আনতে যাচ্ছে ভারত। আগামী ১ অক্টোবর, ২০২০ থেকে নতুন যেসব পলিসি চালু করা হবে সেগুলোর ক্ষেত্রে এই সিদ্ধান্ত কার্যকর করা হবে। আর প্রচলিত স্বাস্থ্য বীমা পলিসির ক্ষেত্রে এই পরিবর্তন কার্যকর হবে ২০২১ সালের ১ এপ্রিল থেকে। এরইমধ্যে এ সংক্রান্ত একটি সার্কুলার জারি করেছে দেশটির বীমাখাতের নিয়ন্ত্রক সংস্থা আইআরডিএ।
স্বাস্থ্য বীমাকে আরও ভোক্তা-বান্ধব করে তুলতে যেসব পরিবর্তন আনা হচ্ছে সেগুলো হলো- স্বাস্থ্য বীমা পলিসির গুরুত্বপূর্ণ শর্তাদির মান প্রমিতকরণ (স্টান্ডারডাইজেশন) যাতে গ্রাহকরা সহজেই সেগুলো বুঝতে পারে এবং অন্যান্য বীমা কোম্পানির পণ্যের সাথে তুলনা করতে পারে। টেলিমেডিসিনের জন্য বীমা কভারেজ নিশ্চিতকরণ, যা শারীরিক দূরত্বের এই সময়ে গুরুত্বপূর্ণ। বীমা দাবি বাদ দেয়ার ক্ষেত্রে আরও বেশি যুক্তিযুক্ত এবং গ্রাহক-বান্ধব হওয়া।
আইআরডিএআই’র নির্দেশিকার প্রথম অংশে বীমা কোম্পানিগুলোর ক্ষতিপূরণভিত্তিক স্বাস্থ্য বীমা পলিসির চুক্তির সাধারণ শর্তাদি এবং ধারাগুলোকে মানসম্পন্ন করতে বলেছে। এই স্ট্যান্ডার্ডাইজড ধারাগুলো ২০২০ সালের ১ অক্টোবর বা তার পরে চালু করা নতুন বীমা পলিসিতে এবং ১ এপ্রিল, ২০২১ থেকে নবায়ন করার সময় বিদ্যমান বীমা পলিসিতে অন্তর্ভুক্ত করতে হবে। আইআরডিএআই প্রদত্ত নির্ধারিত শব্দের প্রকাশ ব্যবহার করতে বলা হয়েছে।
গাইডলাইনের দ্বিতীয় অংশে টেলিমেডিসিনের বিষয়টি রয়েছে। যেহেতু ২০০০ সালের মার্চ মাসে ইন্ডিয়া মেডিকেল কাউন্সিল রেজিস্টার্ড মেডিকেল প্র্যাকটিশনারদের টেলিমেডিসিন ব্যবহার করে স্বাস্থ্যসেবা প্রদানের সুযোগ দিয়েছে। তাই টেলিমেডিসিন কনসালটেশনের জন্য বীমা দাবি নিষ্পত্তি করতে বীমা কোম্পানিগুলোকে পরামর্শ দেয়া হয়েছে। তাছাড়া মেডিকেল প্র্যাকটিশনারদের সাথে সাধারণ কনসালটেশনের বীমা দাবি নিষ্পত্তি বিষয়টিও পলিসি চুক্তির শর্তাবলীতে অনুমোদন দেয়া হয়েছে।
আইআরডিএআই’র নির্দেশিকার তৃতীয় অংশে রয়েছে বীমা দাবি নিষ্পত্তিতে আনুপাতিক ছাড়ের মান সম্পর্কে। এটি সেই সব বীমা গ্রাহকদের জন্য কার্যকর যারা তাদের বীমা পলিসিতে ক্যাপিংয়ের দ্বারা অনুমোদিত মঞ্জুরির চেয়ে হাসপাতালের রুমের মধ্যে উন্নত শ্রেণীর পছন্দ করে। (সূত্র: দ্যা ইকোনমিক টাইমস)