আইডিআরএ অবৈধভাবে অফিস করছেন এনায়েত
নিজস্ব প্রতিবেদক: চুক্তিভিত্তিক নিয়োগ শেষ হওয়ার পরও বীমা উন্নয়ন ও নিয়ন্ত্রণ কর্তৃপক্ষ (আইডিআরএ)-এ অফিস করছেন এনায়েত আলী খান। চলতি মাসের ১৭ তারিখে এক বছরের মেয়াদ শেষ হলেও বহাল তবিয়তে তিনি অফিস করছেন। মঙ্গলবার দু’জন ডিরেক্টর ও দু'জন এক্সিকিউটিভ ডিরেক্টরসহ একসঙ্গে তিনি মিটিং করেছেন বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে।
এ বিষয়ে কথা হয় আইডিআরএ’র এক্সিকিউটিভ ডিরেক্টর খলিলুর রহমানের সঙ্গে। তিনি বলেন, এনায়েত সাহেব প্রতিষ্ঠানের কনসালটেন্ট। তার কাছ থেকে আমরা পরামর্শ নেই। তারই ধারাবাহিকতায় আজকে (মঙ্গলবার) তার সঙ্গে আমরা মিটিং করেছি।
এনায়েত আলী খানের চাকরির মেয়াদ না থাকা সত্বেও কীভাবে আপনারা তার সঙ্গে মিটিং করেছেন এমন প্র্রশ্নের জবাবে খলিলুর রহমান বলেন, এ বিষয়টি আমার জানা নেই। এ বিষয়ে চেয়ারম্যান ভাল বলতে পারবেন।
সূত্র জানায়, বীমা উন্নয়ন ও নিয়ন্ত্রণ কর্তৃপক্ষের এক চিঠিতে (সূত্র:বী:উ:নি:ক:/জিএডি/১৬৩৫/২০১৬-০৫) উল্লেখ করা হয়, ৯০তম সভায় সিদ্ধান্ত মোতাবেক এনায়েত আলী খানকে পরামর্শক হিসেবে এক বছরের জন্য (১৮/০৬/২০১৬ থেকে ১৭/০৬/২০১৭) চুক্তি ভিত্তিক নিয়োগ দেয়া হয়। চিঠির শর্ত মোতাবেক বর্তমানে এনায়েত আলী খানের অফিস করার বৈধতা নেই।
এ বিষয়ে আইডিআরএ’র চেয়ারম্যান (চলতি দায়িত্ব) গোকুল চাঁদ দাস বলেন, এনায়েত আলী খানের চাকরি আইডিআরএ-তে নেই। গত ১৭ তারিখ তার চুক্তিভিত্তিক মেয়াদ শেষ হয়েছে।
এখনো সে কিভাবে আইডিআরএ’র কর্মকর্তাদের সঙ্গে মিটিং-এ মিলিত হন এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, তার মিটিং-এ বসার বৈধতা নেই। যেহেতু সে আগে এখানে চাকরিতে ছিলেন তাই সে এখানে আসা-যাওয়া করছে। আর আজ সে মিটিং-এ বসেছে কি-না আমার জানা নেই। এ বিষয়ে আমি খোঁজ নিয়ে দেখছি বলে জানান তিনি।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক আইডিআরএ’র এক কর্মকর্তা জানান, এনায়েত আলী খানের যে চাকরি নেই, তা বোঝার উপায় নেই। আগের চেয়ে আরো দাপটের সঙ্গে তিনি অফিস করছেন। বিগত চেয়ারম্যান এম শেফাক আহমেদের সব অপকর্মের উপদেষ্টা এই এনায়েত আলী খান। তার বিরুদ্ধে দুর্নীতি দমন কমিশনে টাকা আত্মসাতের একটি মামলা তদন্তাধীন।