আইডিআরএ ইন্স্যুরেন্স এক্সিলেন্স অ্যাওয়ার্ড- ২০২৬

সেরা বীমা কোম্পানি নির্বাচনে আইডিআরএ’র নতুন মানদণ্ড

নিজস্ব প্রতিবেদক: ‘আইডিআরএ ইন্স্যুরেন্স এক্সিলেন্স অ্যাওয়ার্ড- ২০২৬’ প্রদানের জন্য লাইফ ও নন-লাইফ বীমা কোম্পানির গ্রেডিং এর মানদণ্ড ও নম্বর হিসাব পদ্ধতি নির্ধারণ করেছে বীমা উন্নয়ন ও নিয়ন্ত্রণ কর্তৃপক্ষ (আইডিআরএ)।

প্রিমিয়াম সংগ্রহে প্রবৃদ্ধি, বীমা দাবি পরিশোধ, ব্যবস্থাপনা ব্যয় ও শীর্ষ কর্মকর্তাদের পেশাগত যোগ্যতাসহ ৬টি ক্যাটেগরিতে সর্বমোট ১০০ নম্বরে এই মূল্যায়ন করা হবে। একইসঙ্গে সর্বোচ্চ ১০ নম্বর রাখা হয়েছে নেগেটিভ মার্কিং।

কর্তৃপক্ষের ১৯৩তম সভার সিদ্ধান্ত অনুসারে প্রতি বছর এই অ্যাওয়ার্ড প্রদান করা হবে বলে উল্লেখ করা হয়েছে আইডিআরএ’র এ সংক্রান্ত বিজ্ঞপ্তিতে। গত ৮ ফেব্রয়ারি লাইফ বীমা কোম্পানির এবং ৯ ফেব্রুয়ারি নন-লাইফ বীমা কোম্পানির গ্রেডিং মানদণ্ড প্রকাশ করা হয়।

বিজ্ঞপ্তির তথ্য অনুসারে, লাইফ ও নন-লাইফ বীমা খাতে আইডিআরএ ইন্স্যুরেন্স এক্সিলেন্স অ্যাওয়ার্ড-২০২৬ নির্বাচনের ক্ষেত্রে গ্রস প্রিমিয়ামে প্রবৃদ্ধি মূল্যায়নে মোট নম্বর ধরা হয়েছে ১০। 

লাইফ বীমার ক্ষেত্রে ল্যাপস পলিসি রেশিও বা পার্সিস্টেন্সি রেশিও’র জন্য মোট নম্বর ধরা হয়েছে ১৫। এক্ষেত্রে নন-লাইফে অগ্নিবীমা ব্যবস্থাপনায় নম্বর রাখা হয়েছে ১৫।

উভয় খাতে দাবি ব্যবস্থাপনা মূল্যায়নে মোট নম্বর ধরা হয়েছে ৩০। এরমধ্যে অনিষ্পন্ন বীমা দাবির রেশিও মূল্যায়নে ২০ নম্বর এবং সময়মতো দাবি নিষ্পত্তির হার মূল্যয়ানে জন্য ১০ নম্বর ধরা হয়েছে।

বিনিয়োগ ব্যবস্থাপনায় উভয় খাতে রাখা হয়েছে ২৫ নম্বর। এর মধ্যে সরকারি সিকিউরিটিজে বিনিয়োগ মূল্যায়নে ১০ নম্বর, বিনিয়োগ আয়ে (আরওআই) ১০ নম্বর এবং অস্থাবর সম্পত্তিতে বিনিয়োগ মূল্যায়নে থাকবে ৫ নম্বর।

কোম্পানির খরচাদি বা ব্যয় ব্যবস্থাপনা মূল্যায়নে মোট নম্বর থাকবে ১০। আর কোম্পানির শীর্ষ ৩ কর্মকর্তার পেশাগত যোগ্যতা মূল্যায়নে রাখা হয়েছে ১০ নম্বর। এক্ষেত্রে মুখ্য নির্বাহী কর্মকর্তার জন্য ৪  নম্বর এবং প্রধান অর্থ কর্মকর্তা ও কোম্পানি সেক্রেটারির জন্য ৩ নম্বর করে বরাদ্দ রাখা হয়েছে।

একইসঙ্গে আইডিআরএ’র কোন নির্দেশনা পরিপালনে ক্রমাগত ব্যর্থতা বা আরোপিত জরিমানা পরিশোধ করতে ব্যর্থ হলে সংশ্লিষ্ট লাইফ ও নন-লাইফ বীমা কোম্পানির অর্জিত বা প্রাপ্ত মোট নম্বর থেকে ১০ নম্বর কর্তন বা কমানো হবে।

এক্ষেত্রে পরবর্তী অ্যাওয়ার্ডে কোম্পানি নির্বাচনের জন্য ২০২৬ সালের নিরীক্ষাকৃত আর্থিক প্রতিবেদনের হিসাব বিবেচনায় নেয়া হবে। আর ২০২৬ সালের নিরীক্ষাকৃত আর্থিক প্রতিবেদনের তথ্য দাখিল করতে হবে ২০২৭ সালের ৩১ জুলাইয়ের মধ্যে, অন্যথায় সংশ্লিষ্ট কোম্পানি স্বয়ংক্রিয়ভাবে অনুপযুক্ত বলে বিবেচিত হবে।