সংবাদ বিজ্ঞপ্তি: মেঘনা লাইফ ইন্স্যুরেন্স পিএলসি’র নবায়ন প্রিমিয়াম সংগ্রহ ও তামাদি পলিসি চালু সংক্রান্ত একটি উন্নয়ন সভা অনুষ্ঠিত হয়। সম্প্রতি ঢাকায় অনুষ্ঠিত এ সভায় সারাদেশ থেকে আগত কোম্পানির বিভিন্ন স্তরের উন্নয়ন কর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।
মেঘনা লাইফ ইন্স্যুরেন্সের ৩০ বছর পদার্পণ উপলক্ষ্যে সেপ্টেম্বর-ডিসেম্বর ২০২৬ পর্যন্ত ৪ মাস ব্যাপি “নবায়ন প্রিমিয়াম সংগ্রহ উৎসব” নামে বিশেষ একটি ক্যাম্পেইন শুরু করা হয়েছে। যে সকল মাঠকর্মী সেপ্টেম্বর মাসের নবায়ন প্রিমিয়াম সংগ্রহ ও তামাদি বা পেইড-আপ পলিসি চালুর লক্ষ্যমাত্রা অর্জন করেছে তাদেরকে উক্ত সভায় পুরষ্কৃত করে উৎসাহ প্রদান করা হয়।
সভায় মেঘনা লাইফ ইন্স্যুরেন্সের চেয়ারম্যান নিজাম উদ্দিন আহমদ বলেন, নবায়ন প্রিমিয়াম হলো লাইফ বীমার মূল চালিকা শক্তি। কিন্তু লাইফ বীমা খাতে নবায়ন প্রিমিয়াম সংগ্রহের চেয়ে প্রথম বর্ষ প্রিমিয়াম সংগ্রহের উপর অধিক গুরুত্ব দেয়া হয়ে থাকে। ফলে একটি বড় অংশের পলিসি তামাদি ও পেইড-আপ হয়ে যাচ্ছে, যা বীমা খাতের সমস্যা বৃদ্ধির একটি উল্লেখযোগ্য কারণ।
তিনি বলেন, মেঘনা লাইফ ইন্স্যুরেন্স পিএলসি আধুনিক ও উদ্ভাবনী প্রযুক্তির সহায়তায় এবং বিভিন্ন ক্যাম্পেইনের মাধ্যমে নবায়ন প্রিমিয়াম সংগ্রহ এবং তামাদি ও পেইড-আপ পলিসি চালু করার উপর বিশেষ গুরুত্ব দিচ্ছে।
সভায় আরও বক্তব্য রাখেন কোম্পানির ভাইস চেয়ারম্যান ও বিআইএ’র সাবেক প্রেসিডেন্ট নাসির উদ্দিন আহমেদ (পাভেল), কোম্পানির পরিচালক রিয়াজ উদ্দিন আহমেদ, ভারপ্রাপ্ত মুখ্য নির্বাহী কর্মকর্তা মোহাম্মদ তারেক এফসিএ, কনসালটেন্ট ও হেড অব মার্কেটিং জয়নাল আবেদীন ভূঁঞা এফএলএমআই এবং কোম্পানির উন্নয়ন কর্মকর্তারা।
উল্লেখ্য, মেঘনা লাইফ ইন্স্যুরেন্স পিএলসি বিগত বছরগুলোতে ৪ হাজার ৪২৮ কোটি ৫০ লাখ টাকার বীমা দাবি পরিশোধের মাধ্যমে পলিসিহোল্ডারদের আস্থা অর্জন করেছে। ২০২৫ সালে কোম্পানি ২৮৬ কোটি ৭৮ লাখ টাকা দাবি পরিশোধ করেছে এবং দাবি পরিশোধের হার ৯৮.৭৪%।
২০২৬ সালে জানুয়ারি হতে সেপ্টেম্বর পর্যন্ত দাবি পরিশোধ করেছে ১৯৪ কোটি ১৮ লাখ টাকা। কোম্পানি মৃত্যুদাবিসহ সকল বীমা দাবির অর্থ পলিসিহোল্ডারদের ব্যাংক একাউন্টে আধুনিক ব্যাংকিং ব্যবস্থায় বিইএফটিএন ও আরটিজিএস এর মাধ্যমে পাঠানো হয়ে থাকে। এ প্রক্রিয়ায় পলিসিহোল্ডাররা ঘরে বসেই বীমা দাবির টাকা পেয়ে থাকেন।
আপনার একটি মন্তব্য লিখুন:
এখনো কোনো মন্তব্য করা হয়নি।