২০২২ সালে

৪০ বিলিয়ন ডলার ছাড়াবে ভারতের নন-লাইফ বীমা বাজার

ইন্টারন্যাশনাল ডেস্ক: আগামী ২০২২ সালের মধ্যে ভারতের নন-লাইফ বীমা বাজারের মূল্য ৪০ বিলিয়ন মার্কিন ডলার তথা ২ দশমিক ৯ ট্রিলিয়ন রুপি ছাড়িয়ে যাবে। ‘স্ট্র্যাটেজিক মার্কেট ইন্টেলিজেন্স: জেনারেল ইন্স্যুরেন্স ইন ইন্ডিয়া- কী ট্রেন্ডস এন্ড অপারচুনিটিস টু ২০২২’ শিরোনামের এক গবেষণায় এ তথ্য উঠে এসেছে।

তথ্য এবং বিশ্লেষণী সংস্থা ‘গ্লোবালডাটা’ পরিচালিত এ গবেষণায় দেখানো হয়েছে যে, ২০১৩ সাল থেকে ২০১৭ সালের মধ্যে দেশটির নন-লাইফ বীমা বাজারের গ্রস রিটেন প্রিমিয়ামের সমন্বিত বার্ষিক প্রবৃদ্ধি (সিএজিআর) ১৭ দশমিক ২ শতাংশ।

গবেষণার তথ্য অনুসারে, ২০১৭ সালে দেশটির নন-লাইফ বীমা খাতের মূল্য ছিল ২৪ দশমিক ১০ বিলিয়ন মার্কিন ডলার তথা ১ দশমিক ৬ ট্রিলিয়ন রুপি। এ সময় খাতটির ৮০ শতাংশ প্রিমিয়াম এসেছে মটর, ব্যক্তিগত দুর্ঘটনা ও স্বাস্থ্য এবং সম্পদের বীমা খাতে।

ভারতীয় জনসংখ্যায় মধ্যম শ্রেণীর বৃদ্ধি, সুরক্ষার প্রয়োজনীয়তার ব্যাপারে সচেতনতা বৃদ্ধি এবং নিয়ন্ত্রক সংস্থার অনুকূল দৃশ্য দেশটির নন-লাইফ বীমা বাজারের শক্তিশালী প্রবৃদ্ধিতে অবদান রেখেছে।

গ্লোবালডাটা’র প্র্যাকটিস হেড অব ফিনান্সিয়াল সার্ভিসেস সিদ্ধার্থ আগারওয়াল বলেন, এই প্রবৃদ্ধি মূলত বেসরকারি বীমাকারীদের মাধ্যমে হবে। কারণ তারা উচ্চ অর্থনৈতিক বিকাশ এবং বীমার কম পেনিট্রেশনের ফলে উদ্ভূত সুযোগগুলো থেকে লাভবান হওয়ার চেষ্টা করছে।

বিগত কয়েক বছরে চিত্তাকর্ষক প্রবৃদ্ধি সত্ত্বেও ভারতের নন-লাইফ বীমা বাজারের পেনিট্রেশন বা বীমায় প্রবেশের হার নিম্নই রয়ে গেছে। ২০১৭ সালে এই প্রবৃদ্ধি ছিল ১ শতাংশের কম। উদীয়মান বীমা বাজারের দেশ চীন ও ব্রাজিলে এই প্রবৃদ্ধি যথাক্রমে ১ দশমিক ৮ শতাংশ এব ৩ দশমিক ৩ শতাংশ।

তথ্য অনুসারে, ভারতের নন-লাইফ বাজারে মটর বীমা খাতের অংশ ৩৮ দশমিক ৮ শতাংশ। ২০১৭ সালে এ খাতে গ্রস প্রিমিয়াম সংগ্রহ ছিল ৬০৭ দশমিক ২ বিলিয়ন রুপি বা ৯ দশমিক ৩ বিলিয়ন মার্কিন ডলার।

মটরগাড়ি বিক্রি বৃদ্ধি এবং ২০১৮ সালে যানবাহনের ক্ষেত্রে ৩ বছর ও ৫ বছরের থার্ড পার্টি বীমা বিক্রি বাধ্যতামূলক করায় এ প্রবৃদ্ধি হয়েছে। সম্প্রতি বীমা পলিসি ছাড়াই মটর গাড়ি চালনায় জরিমানা ধার্য করা হয়েছে, যা মটর বীমার প্রিমিয়াম বৃদ্ধিতে সহায়ক ভূমিকা রাখবে বলেও মনে করা হচ্ছে। (সূত্র:ইন্স্যুরেন্স বিজনেস)