মহামারীর ঝুঁকি মোকাবেলায় ভারতের বীমাখাতে যৌথ উদ্যোগ

ইন্টারন্যাশনাল ডেস্ক: মহামারীর ঝুঁকি মোকাবেলায় ভারতীয় বীমা কোম্পানিগুলো যৌথ উদ্যোগ গ্রহণ করেছে। প্যানডেমিক রিস্ক পুল প্রতিষ্ঠার জন্য এরইমধ্যে দেশটির বীমাখাতের নিয়ন্ত্রক সংস্থা আইআরডিএ একটি কার্যনির্বাহী কমিটি গঠন করেছে। ৯ সদস্যের ওই কমিটি প্রস্তাবটি যাচাই-পর্যালোচনা করে প্রতিবেদন তুলে ধরবে।

গত ২০ জুলাই জারি করা একটি আদেশে আইআরডিএআই’র সদস্য (নন-লাইফ) টিএল আলামেলু বলেছেন, বর্তমান মহামারী দ্বারা উদ্ভূত বিভিন্ন ঝুঁকি মোকাবেলায় দীর্ঘমেয়াদী সমাধানগুলো পরীক্ষা করা প্রয়োজন এবং ভবিষ্যতে একই ধরণের যেকোন সংকটের ক্ষেত্রে সুরক্ষা দেয়ার ব্যবস্থা রাখা প্রয়োজন।

ব্যবসার ক্ষেত্রে উপাদানগত যেসব ক্ষতি হয়ে আসছে সেগুলো ব্যতীত ব্যবসায়িক প্রতিবন্ধকতার লোকসান এবং চাকরি হারানোর মতো কিছু ঝুঁকির কারণে লোকসানের মাত্রা অনেক বেশি হবে, যা সরকার বা বীমা কোম্পানি অথবা পুনর্বীমা কোম্পানির সক্ষমতাকে ছাড়িয়ে যাবে।

সুতরাং, প্যানডেমিক রিস্ক পুলের ব্যবস্থার মাধ্যমে মহামারী থেকে উদ্ভূত এসব ঝুঁকি এবং অন্যান্য যেকোন ঝুঁকির সমাধানের সম্ভাবনা অন্বেষণ করার প্রয়োজন রয়েছে, বলেন আইআরডিএআই’র সদস্য আলামেলু।

বাজাজ অ্যালিয়াঞ্জ জেনারেল ইন্স্যুরেন্সের ব্যবস্থাপনা পরিচালক এবং প্রধান নির্বাহী তপন সিংহেল বলেছেন, ২০০০ সালের গোড়ার দিকে আমাদের ছিল সার্স মহামারী এবং এখন আমাদের রয়েছে কোভিড -১৯। আমরা কি নিশ্চিত যে ভবিষ্যতে কোনও নতুন ভাইরাস বা মহামারী সংঘটিত হবে না? এ জাতীয় যে কোনও ইস্যুতে এগিয়ে যাওয়ার জন্য আমাদের নিজেদের প্রস্তুত করতে হবে।

কার্যনির্বাহী কমিটির নেতৃত্বে থাকবেন ইন্স্যুরেন্স রেগুলেটরি অ্যান্ড ডেভলপমেন্ট অথরিটি অফ ইন্ডিয়া (আইআরডিএআই)’র নির্বাহী পরিচালক সুরেশ মাথুর। বীমা কোম্পানিগুলোর প্রতিনিধিরা কমিটির সদস্য হিসেবে থাকবেন। 

গ্রুপের টার্মস অব রেফারেন্সে (টিওআর) অন্তর্ভুক্ত থাকছে; ক) পেনডামিক রিস্ক পুল স্থাপনের প্রয়োজনীয়তা গবেষণা করা এবং এর জন্য যৌক্তিকতা তুলে ধরা, খ) পুলের জন্য কাঠামো এবং অপারেটিং মডেল সুপারিশ করা এবং গ) বিষয়টির সাথে সম্পর্কিত অন্য যেকোন বিষয় পরীক্ষা করে দেখা।

আইআরডিএআই’র ওই কার্যনির্বাহী কমিটিকে আট সপ্তাহের মধ্যে প্রতিবেদন জমা দিতে বলা হয়েছে। (সূত্র: এআইআর)