আস্থা লাইফের সেন্ট্রাল কনভেনশন অনুষ্ঠিত

সংবাদ বিজ্ঞপ্তি: বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর আর্মি ওয়েলফেয়ার ট্রাস্টের একমাত্র জীবন বীমা প্রতিষ্ঠান আস্থা লাইফ ইন্স্যুরেন্স কোম্পানি লিমিটেডের সেন্ট্রাল কনভেনশন ২০২৬ অনুষ্ঠিত হয়েছে। সোমবার (১৬ ফেব্রুয়ারি) রাজধানীর এসকেএস টাওয়ারের সেনা গৌরব হলরুমে এই অনুষ্ঠান আয়োজন করা হয়।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন আস্থা লাইফের পরিচালনা পর্ষদের পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল এস এম মিরাজুল ইসলাম, এনডিসি, এএফডব্লিউসি, পিএসসি। উপস্থিত ছিলেন আস্থা লাইফের মুখ্য নির্বাহী কর্মকর্তা ব্রিগেডিয়ার জেনারেল শাহ সগিরুল ইসলাম, এনডিসি, এএফডব্লিউসি, পিএসসি (অবসরপ্রাপ্ত) সহ ব্যবস্থাপনা পর্ষদের সদস্য ও ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাবৃন্দ।

দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে আসা আস্থা লাইফের সেলস এক্সিকিউটিভ, ব্রাঞ্চ ম্যানেজার, ইউনিট ম্যানেজার ও ফাইন্যান্সিয়াল এসোসিয়েটদের সক্রিয় অংশগ্রহণ, পারস্পরিক মতবিনিময়, সেলস পলিসি বিষয়ক প্রশিক্ষণ ও কর্মশালা, বীমা বিপণনের প্রচলিত ভ্রান্তিসমূহ আলোচনা ও উত্তোরণের উপায় পর্যালোচনা, গ্রুপ বীমার মৌলিক বিষয়সমূহ পর্যালোচনা এবং বিভিন্ন ক্যাটাগরীতে সনদপত্র ও পুরস্কার বিতরণের মাধ্যমে দিনব্যাপী অনুষ্ঠানটি উদযাপন করা হয়। এছাড়াও সকল ডিপার্টমেন্ট প্রধানের উপস্থিতিতে দ্বিপাক্ষিক প্রশ্নোত্তর পর্ব অনুষ্ঠানের প্রাণ-চাঞ্চল্যতায় এক অন্যতম মাত্রা যোগ করে।

প্রধান অতিথি তার বক্তব্যে বলেন, জীবন বীমা খাতে উল্লেখযোগ্য অবদান রাখতে এবং জীবন বীমায় মানুষের আস্থার সংকট দূর করতে আর্মি ওয়েলফেয়ার ট্রাস্টের অধীনে আস্থা লাইফ ইন্স্যুরেন্স কোম্পানি গঠিত হয়। আর এ লক্ষ্য অর্জনে কোম্পানির অন্যতম প্রতিনিধি হিসেবে আস্থা লাইফের সেলসফোর্সগণ যেভাবে অক্লান্ত পরিশ্রম ও নিরলস প্রচেষ্টার মাধ্যমে শহর থেকে শুরু করে প্রান্তিক পর্যায়ে বীমা সেবা পৌঁছে দিচ্ছেন তা প্রশংসনীয়।

তিনি আস্থা লাইফের বিগত সালে শতভাগ আংশিক ম্যাচুরিটি প্রদান, প্রিমিয়াম সংগ্রহে উল্লেখযোগ্য প্রবৃদ্ধি অর্জন, লাইফ ফান্ড প্রায় ৫৩ কোটিতে উন্নতিকরণ, প্রায় শতভাগ বীমা দাবি নিষ্পত্তিকরণ, ০৫ বছরের মধ্যে গ্রাহকদের জন্য প্রফিট বোনাস ঘোষণা ইত্যাদি উল্লেখযোগ্য অর্জনে সকলের অবদান কৃতজ্ঞতাচিত্তে স্মরণ করেন।

তিনি আরো বলেন, আমাদের লক্ষ্য কেবল ব্যবসা নয়; সেবাধর্মী মানসিকতাই আমাদের মূল লক্ষ্য। প্রিমিয়াম সংগ্রহের পাশাপশি গ্রাহকের স্বার্থ রক্ষা এবং সঠিক সময়ে তাদের নায্য পাওনা পরিশোধ নিশ্চিত করাই আমাদের মূল ব্রত। আজকের এই সেন্ট্রাল কনভেনশন উপস্থিত সকলকে নতুন উদ্যোমে কাজ করার অনুপ্রেরণা যোগাবে এবং ২০২৬ সালের লক্ষ্যমাত্রা অর্জনে সকলে মিলে একটি সুসংগঠিত পরিবার হিসেবে কাজ করবে মর্মে আশাবাদ ব্যক্ত করেন।

আস্থা লাইফের মুখ্য নির্বাহী কর্মকর্তা বলেন, বর্তমান আর্থ-সামাজিক প্রেক্ষাপটে ইন্স্যুরেন্স খাত প্রচুর কর্মসংস্থান সৃষ্টির মাধ্যমে দেশের অর্থনীতিতে বিশেষ অবদান রেখে চলেছে। তিনি আস্থা লাইফ ইন্স্যুরেন্সে কর্মরত সেলসফোর্সগণ যেভাবে সেনাবাহিনীর আদর্শ, প্রতিশ্রুতি রক্ষা, স্বচ্ছতা, বিশ্বস্ততা ইত্যাদির প্রতিফলন ঘটিয়ে জনগণের সেবায় ও বীমা শিল্পে গ্রাহক সেবা নিশ্চিতকরণে কাজ করে চলেছে তার ভূয়সী প্রশংসা করেন।

তিনি আরো বলেন, আস্থা লাইফের মূল দর্শনগুলো যেমন- ব্যবসায়িক মনোভাব হতে সেবাধর্মী মানসিকতার প্রতি অধিক গুরুত্ব দেয়া, বীমা পলিসি গ্রাহকদের স্বার্থ রক্ষা ও নায্য পাওনা পরিশোধ নিশ্চিত করা, সততা ও নিষ্ঠার সাথে সকল কার্যক্রম পরিচালনা করা ইত্যাদি পরিপালনে সদা সচেষ্ট থাকবেন। পাশাপশি জীবন বীমা সেবার আওতা বৃদ্ধি ও সাংগঠনিক উন্নয়ন নিশ্চিতকল্পে সকলের অগ্রণী ভূমিকা ও ঐকান্তিক প্রচেষ্টা অব্যাহত থাকবে মর্মে আশাবাদ ব্যক্ত করেন। পরিশেষে, তিনি উপস্থিত সকলের সুখ, সমৃদ্ধি ও সুস্বাস্থ্য কামনা করে অনুষ্ঠানের সমাপ্তি ঘোষণা করেন।