জাতীয় বীমা দিবস ২০২৩ উপলক্ষ্যে রচনা প্রতিযোগিতা আয়োজন করেছে সরকার। পৃথক দুটি শিরোনামে স্কুল-কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয় পর্যায়ে দু’টি বিভাগে রচনা আহবান করা হয়েছে। অর্থ মন্ত্রণালয়ের আর্থিক প্রতিষ্ঠান বিভাগ রোববার (৫ ফেব্রুয়ারি) এ সংক্রান্ত একটি বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করেছে।
.jpg)
নিজস্ব প্রতিবেদক: জাতীয় বীমা দিবস ২০২৩ উপলক্ষ্যে রচনা প্রতিযোগিতা আয়োজন করেছে সরকার। পৃথক দুটি শিরোনামে স্কুল-কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয় পর্যায়ে দু’টি বিভাগে রচনা আহবান করা হয়েছে। অর্থ মন্ত্রণালয়ের আর্থিক প্রতিষ্ঠান বিভাগ রোববার (৫ ফেব্রুয়ারি) এ সংক্রান্ত একটি বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করেছে।
ক- গ্রুপ (বিদ্যালয়/ মহাবিদ্যালয় ও সমমান) এর বিষয় নির্ধারণ করা হয়েছে ‘জাতির পিতা ও বীমা শিল্প’ এবং খ- গ্রুপ (বিশ্ববিদ্যালয় ও সমমান) এর বিষয় নির্ধারণ করা হয়েছে ‘রূপকল্প ২০৪১ এর সফল বাস্তবায়নে বীমা শিল্পের ভূমিকা’।
ক- গ্রুপের জন্য এক হাজার এবং খ- গ্রুপের জন্য এক হাজার পাঁচশ’ শব্দের মধ্যে বাংলায় নিজ হাতে লিখিত রচনা এ-ফোর সাইজের কাগজের এক পার্শ্বে লিখতে হবে। কোনভাবেই উভয় পৃষ্ঠায় লেখা যাবে না।
রচনা জমা দেয়ার সময় প্রত্যেক শিক্ষার্থীর নাম, পিতা-মাতার নাম, জন্ম তারিখ, জন্ম নিবন্ধন বা জাতীয় পরিচয় পত্রের কপি, মোবাইল নম্বর এবং শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের হালনাগাদ পরিচয় পত্রের অনুলিপি দাখিল করতে হবে।
আগামী ১৫ ফেব্রুয়ারি ২০২৩ তারিখ বেলা ৩টার মধ্যে কক্ষ নম্বর ৩১৬, ভবন নম্বর ৭, বাংলাদেশ সচিবালয়, ঢাকা-১০০০ –এই ঠিকানায় রচনা সরাসরি বা ডাকযোগে কিংবা স্ক্যান করে নির্ধারিত ই-মেইলে পাঠাতে হবে।
ই-মেইলে [email protected] -এই ঠিকানায় রচনা পাঠাতে হবে। রচনা পাঠানোর সময় অবশ্যই খামের উপরে বা ই-মেইলে সাবজেক্টে গ্রুপ ও রচনার শিরোনাম উল্লেখ করতে হবে।
‘ক’ ও ‘খ’ গ্রুপ থেকে আলাদা আলাদাভাবে প্রথম ও দ্বিতীয় স্থান অধিকারীদের যথাক্রমে ৩০ হাজার টাকা, ২৫ হাজার টাকা মূল্যমানের প্রাইজবন্ড, সনদ, ক্রেস্ট ও বই প্রদান করা হবে।
সরকারের উপসচিব ও রচনা প্রতিযোগিতা আয়োজন বিষয়ক উপ-কমিটির সদস্য সচিব ফরিদা ইয়াসমিন স্বাক্ষরিত ওই বিজ্ঞপ্তিতে আরো বলা হয়েছে, নির্ধারিত সময়ের পর কোন রচনা গ্রহণ করা হবে না এবং প্রতিযোগিতার বিষয়ে উপ-কমিটির সিদ্ধান্ত চূড়ান্ত বলে গণ্য হবে।
আপনার একটি মন্তব্য লিখুন:
এখনো কোনো মন্তব্য করা হয়নি।