প্রাইম ইন্স্যুরেন্সে ৪৮ ধারায় তদন্তের সিদ্ধান্ত আইডিআরএ’র

নিজস্ব প্রতিবেদক: প্রাইম ইন্স্যুরেন্স কোম্পানির সাড়ে ২১ কোটি টাকা লোকসান গোপনের অভিযোগ তদন্তের সিদ্ধান্ত নিয়েছে বীমা উন্নয়ন ও নিয়ন্ত্রণ কর্তৃপক্ষ (আইডিআরএ) । বীমা আইন ২০১০ এর ৪৮ ধারা অনুসারে হিসাব বিশেষজ্ঞের দ্বারা এই তদন্ত করবে নিয়ন্ত্রক সংস্থাটি।

গত ২০ জুন এ বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে।

প্রাইম ইন্স্যুরেন্সের লোকসান গোপনের বিষয়টি নিরীক্ষা করে ৪৫ দিনের মধ্যে প্রতিবেদন দাখিলের জন্য অডিট ফার্ম হাওলাদার ইউনুস এন্ড কো. কে নিয়োগ করা হয়েছে বলেও জানা গেছে।

তবে করোনা পরিস্থিতির কারণে বীমা কোম্পানিটিতে এখনো তদন্ত কার্যক্রম শুরু হয়নি বলে জানিয়েছেন কর্তৃপক্ষের নির্বাহী পরিচালক (যুগ্মসচিব) ও মুখপাত্র এস এম শাকিল আখতার। পরিস্থিতি স্বাভাবিক হলে যেকোন সময় তদন্ত শুরু হবে বলেও উল্লেখ করেন তিনি।

এর আগে ২০১৯ সালের ১২ মে নন-লাইফ বীমা কোম্পানি প্রাইম ইন্স্যুরেন্সের আর্থিক প্রতিবেদন পর্যালোচনা করে ‘সাড়ে ২১ কোটি টাকার লোকসান গোপন প্রাইম ইন্স্যুরেন্সের’ শিরোনামে সংবাদ প্রকাশ করে ইন্স্যুরেন্সনিউজবিডি।

একই বছরের ১৭ ডিসেম্বর বীমা কোম্পানিটিতে নিয়োজিত বীমা উন্নয়ন ও নিয়ন্ত্রণ কর্তৃপক্ষের তদন্ত দল তাদের প্রতিবেদনে প্রাইম ইন্স্যুরেন্সের লোকসান গোপনের এই অভিযোগ হিসাব বিশেষজ্ঞকে সাথে নিয়ে তদন্তের সুপারিশ করে। 

পরবর্তীতে ২০২০ সালের ২২ অক্টোবর প্রাইম ইন্স্যুরেন্সের পরিচালনা পর্ষদের সমন্বয়ে অনুষ্ঠিত শুনানীতে লোকসান গোপনের এই অভিযোগ নিরীক্ষণের জন্য কর্তৃপক্ষ কর্তৃক বীমা আইন ২০১০ এর ৪৮ ধারা অনুযায়ী তদন্তকারী নিয়োগের সিদ্ধান্ত নেয়া হয়।

উল্লেখ্য, বীমা আইনের ৪৮(৪) ধারায় বলা হয়েছে, কর্তৃপক্ষ ধারা ২৭ এর অধীন বীমাকারীর হিসাব ও স্থিতিপত্র এবং অন্যান্য বিবরণী প্রস্তুতকারী নিরীক্ষক ব্যতীত একজন নিরীক্ষক, একজন একচ্যুয়ারি বা অন্য কোন উপযুক্ত ব্যক্তিকে এই ধারার অধীনে, তদন্ত করিবার জন্য তদন্তকারী হিসাবে নিযুক্ত করিতে পারিবে এবং অনুরূপ তদন্তের সকল ব্যয় বীমাকারী কর্তৃক পরিশোধ করিতে হইবে।